Wednesday, 13 December, 2017 | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে যে অস্ত্রে কাবু রাজনীতিকরা  » «   শিবির তাড়িয়ে ওসমানী মেডিকেলে ছাত্রাবাসের কক্ষ দখলে নিল ছাত্রলীগ  » «   আমেরিকায় বন্ধ হচ্ছে পারিবারিক চেইন ভিসা!  » «   বিদ্যুতের খুটি পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   ঢাকাকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রংপুর  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রান্সফর্মারে আগুনে ক্ষতি ৩০ কোটি টাকা, তদন্ত কমিটি  » «   রাবেয়া খাতুন চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  » «   হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   মহীয়সী নারী রাবেয়া খাতুন চৌধুরী  » «   হবিগঞ্জ থেকে ৫ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার  » «   মানবাধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মেয়র  » «   ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড  » «   সিলেটে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে রাহাত তরফদারের মামলা  » «   সিসিক নির্বাচনে কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন  » «   বিয়ানীবাজার জুড়ে চলছে ‘তীর খেলা’ পুলিশের লোক দেখানো অভিযান  » «  

Advertisement

৭১ হাজার ভোল্টের শক নিয়েও সুস্থ

দৈনিকসিলেটডেস্ক: ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ, প্রাথমিকভাবে এটিকে ডাইনামিক ও স্ট্যাটিক এই দু’ভাগে ভাগ করা হয়। সাধারণত আমরা চারপাশে বিদ্যুতের যে হাজারও ব্যবহার দেখি তা সবই ডাইনামিক বিদ্যুৎ।

ডাইনামিক বিদ্যুৎ যে কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীরের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। সামান্য ভোল্টের ডাইনামিক বিদ্যুতে প্রাণীর শরীর বিদ্যুতায়িত হয় এবং এই ভোল্ট বেশি হলে মানুষসহ যেকোনো প্রাণী মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে।

এই তুলনায় স্ট্যাটিক বিদ্যুৎ প্রাণীর শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর। বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন মানুষ তার শরীরে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ভোল্টের স্ট্যাটিক বিদ্যুতের শক নিতে পারে। তবে তার বেশি নয়। কারণ ৫০ হাজার ভোল্টের স্ট্যাটিক বিদ্যুতের শক একজন মানুষের শরীরে দেয়া হলে সে সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

তবে এবার চীনের এক বিজ্ঞানী স্ট্যাটিক বিদ্যুতের ক্ষেত্রে মানব শরীরে ৫০ হাজার ভোল্টের যে সহনশীল মাত্রা তার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। তিনি নিজের শরীরে ৭১ হাজার ভোল্টের শক নিয়ে দিব্যি বেঁচে আছেন।

বেইজিংয়ের চায়না অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক এই বিজ্ঞানীর নাম লিউ শাংসে। পিএলএ ডেইলির বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং-এর ভাষ্য অনুযায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য শাংসে খুবই বিখ্যাত। গত পঞ্চাশ বছর ধরে তিনি বিদ্যুতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন। যে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তিনি নিজের শরীরের ওপর প্রয়োগ করেন। এতে করে তার স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবণতি হয়েছে এবং রক্তে শ্বেত কণিকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। তবুও দমে যাবার পাত্র তিনি নন।

১৯৮৩ সাল থেকে স্ট্যাটিক বিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছেন শাংসে। তিনি দেখতে চান মানুষের শরীর সর্বোচ্চ কত ভোল্টের স্ট্যাটিক বিদ্যুতের শক নিতে পারে।

বিতর্কিত এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাটি শাংসে এবং তার সহকারী দুজন মিলে করেছেন। চায়না মিডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শাংসের সহকারী বলেন, ‘পরীক্ষাটি আমরা ধাপে ধাপে সম্পন্ন করেছি। প্রথমে ২০ হাজার ভোল্ট থেকে শুরু করেছিলাম। এরপর ধীরে ধীরে ভোল্টেজ বাড়িয়েছি। তিনি আরো বলেন, প্রতিবার যখন শাংসের শরীর থেকে বিদ্যুৎ ডিসচার্জ করছিলাম তখন তার মাথার চুল সহ গায়ের সব পশম দাঁড়িয়ে যাচ্ছিল।’

শাংসের এই পরীক্ষা স্ট্যাটিক বিদ্যুতের ক্ষেত্রে মানুষের সর্বোচ্চ সহ্য ক্ষমতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। পাশাপাশি এটি এমন কিছু যন্ত্র বানানোর কাজে ব্যবহার করা হবে যা দ্বারা মানুষের শরীরের কোষে কি পরিমাণ স্ট্যাটিক বিদ্যুৎ থাকে তা পরিমাপ করা যাবে। ফলে আগের তুলনায় বিদ্যুতের শক জনিত দুর্ঘটনার মাত্রা কমানো সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: