Monday, 24 July, 2017 | ৯ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন মেয়র আরিফ  » «   ৪১৮ যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ল প্রথম হজ ফ্লাইট  » «   পাসের হারে সিলেট শিক্ষা বোর্ড শীর্ষে রয়েছে  » «   সিলেট শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭২ ॥ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০০ জন  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ৩০টি স্বর্ণের বার জব্দ  » «   ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করায় সিলেটে প্রকাশ্যে কান ধরে টানাহেঁচড়া  » «   সিলেটে নির্বাচনে ৫০ নতুন মুখ  » «   বিয়ানীবাজারের নদী ভাঙ্গন রোধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  » «   পুলিশের গাড়ী চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  » «   রাগীব আলী ও তাঁর ছেলের আপীল ১৭ আগস্টের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ  » «   ওসমানীনগরে রড ছাড়াই কলেজ ভবন নির্মাণ, আটক ৩  » «   সিলেটকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধান বিচারপতি  » «   অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘সিলেট টেলিগ্রাফ’র যাত্রা শুরু  » «   নবীগঞ্জের সেই পাগলীকে ঢাকায় নিয়ে গেলেন শামীম  » «   হজ যাত্রীদের বিমানের বর্ধিত ভাড়া মওকুফ  » «  
Advertisement
Advertisement

উইমেন্স মেডিকেলের ঘটনা সেই ‘তৃতীয় পক্ষের’ ষড়যন্ত্রেরই অংশ: মেয়র আরিফ

দৈনিকসিলেটডটকম: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন,এলাকার রাস্তা সম্প্রসারণ কাজ নিয়ে  উইমেন্স মেডিকেলের ঘটনাটি সেই তৃতীয় পক্ষের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আগামী সিটি নির্বাচনে আমি যাতে অংশ নিতে না পারি সে জন্যই একটি চেনা মহল আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার বিরুদ্ধে সিলেট উইমেন্স মেডিকেলের এক পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্রমূলক।
সোমবার বিকালে নগরীর তোপখানাস্থ অস্থায়ী নগরভবনে সাংবাদিকদের সাথে তাৎক্ষণিক মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেছেন। এসময় বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন মেডিকেলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। ওখানে কোন মারধোরের ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র আমি আমার কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে সেখানে রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়েছিলাম। এই ঘটনাকেই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- ‘আমি জনগণের সেবক। জনগণের উন্নয়নের জন্যই আমি রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছি। ব্যস্ততম নয়াসড়ক থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যাপারে আমি খ্রিস্টান মিশন, নয়াসড়ক মাদরাসা ও উইমেন্স মেডিকেলের সাথে পৃথক পৃথকভাবে বসেছি। তারা আমাকে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য জায়গা ছেড়ে দেবেন বলেন জানালে নগরভবন থেকে টেন্ডার আহবান করে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ শুরু করি। ইতিমধ্যে খ্রিস্টান মিশন অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় সোমবার সকালে উইমেন্স মেডিকেলে সিটি করপোরেশনের একজন প্রকৌশলী ও কিছু শ্রমিক যান। কিন্তু তাদেরকে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে দেন।’

মেয়র বলেন বিষয়টি জানতে চেয়ে তিনি হাসপাতালের উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদকে ফোন দিই। তিনি জানান রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ার ব্যাপারে আমরা ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি ওই কমিটিতে কারা রয়েছেন জানতে চাই উনার কাছে। এসময় তিনি বলেন- ‘তোমাকে’ আমি কেন বলবো এই কমিটিতে কারা আছেন? এমন আচরণে আমি ফোন রেখে দেই।

বিকালে সরাসরি কয়েকজন কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে আমি হাসপাতালে গিয়ে ডা. শাহ আহাদের সাথে দেখা করি। এসময় আমি তার রুমে গিয়ে রাস্তার ব্যাপারে কথা বলি। কিন্তু সেখানে তিনি ন্যূনতম সৌজন্যতাও দেখাননি। আমি একজন মেয়র আমাকে বসতেও বলেননি।

পরে আমার সাথে থাকা কাউন্সিলরদের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। পরে আমি তাদেরকে সরিয়ে নিয়ে আসি। তখন সেখানে থাকা মেডিকেলের পরিচালনা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিনসহ অন্যরা আমাদের নিয়ে পাশের রুমে বসেন।
এসময় সেখান থেকে আমি শুনতে পাই অন্যরুমে কথাবার্তা চলছে যে আমি মারধোর করেছি। অশালীন আচরণ করেছি। এটা শুনে আমি বুঝতে পারছি তৃতীয় কোনপক্ষ বিষয়টি থেকে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে চাচ্ছে। এটা সেই চেনা ষড়যন্ত্রেরই অংশ। যেকারণে আমাকে দীর্ঘদিন জনসেবা থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়েছে।

উইমেন্স কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছেন দাবি করেন মেয়র। মেয়র বলেন ভূয়া ও মিথ্যা তথ্য সাজিয়ে যদি তারা মামলা করেন তবে তার বিপরীতে নগরভন কর্তৃপক্ষও মামলা করবে।
উল্লেখ্য,সোমবার বিকাল ৩টার দিকে কয়েকজন কাউন্সিলদের সাথে নিয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদের সাথে কথা বলতে যান। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ঘটে। মেয়রের পক্ষ নিয়ে কাউন্সিলররা ডা. শাহ আব্দুল আহাদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরে মেয়র কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
এরপরই বাকবিতন্ডার এই ঘটনাকে মেয়রের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ আনেন ডা. শাহ আব্দুল আহাদ।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

উপদেষ্টা: ড.এ কে আব্দুল মোমেন
সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: