Sunday, 19 November, 2017 | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কান থেকে ডিভাইস পড়ে ধরা খেলেন শাবিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থী!  » «   শাহজালালের মাজারের কুপের পানিকে জমজমের পানি বলে প্রতারণা: তদন্তের নির্দেশ আদালতের  » «   মৌলভীবাজারে অবাধে চলছে পাহাড় কাটা  » «   কিংবদন্তি নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী  » «   নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে:জেলা প্রশাসক  » «   আম্বরখানায় ছাত্রলীগ ও অটোরিক্সা শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, অবরোধ  » «   সম্মানিত হয়েছে ইউনেস্কো : ড. জাফর ইকবাল  » «   সিলেট মহানগর বিএনপির আনন্দ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «   খাদিমপাড়ায় টিলাকাটার অভিযোগে একজনকে দুইলক্ষ টাকা জরিমানা  » «   জৈন্তাপুরে বেকারদের জন্য ন্যাশনাল সার্ভিস চালু  » «   এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আগুন: ২৯ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী জড়িত  » «   ওসমানী মেডিকেলের ইর্মাজেন্সী গেইটে অটোরিক্সা ভাংচুর  » «   যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে  » «   সিলেটে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ  » «   সিলেটে শতকোটি টাকা ব্যয়ে ইসকন মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «  

 

Advertisement
Advertisement

উইমেন্স মেডিকেলের ঘটনা সেই ‘তৃতীয় পক্ষের’ ষড়যন্ত্রেরই অংশ: মেয়র আরিফ

দৈনিকসিলেটডটকম: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন,এলাকার রাস্তা সম্প্রসারণ কাজ নিয়ে  উইমেন্স মেডিকেলের ঘটনাটি সেই তৃতীয় পক্ষের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আগামী সিটি নির্বাচনে আমি যাতে অংশ নিতে না পারি সে জন্যই একটি চেনা মহল আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার বিরুদ্ধে সিলেট উইমেন্স মেডিকেলের এক পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্রমূলক।
সোমবার বিকালে নগরীর তোপখানাস্থ অস্থায়ী নগরভবনে সাংবাদিকদের সাথে তাৎক্ষণিক মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেছেন। এসময় বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন মেডিকেলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। ওখানে কোন মারধোরের ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র আমি আমার কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে সেখানে রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়েছিলাম। এই ঘটনাকেই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- ‘আমি জনগণের সেবক। জনগণের উন্নয়নের জন্যই আমি রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছি। ব্যস্ততম নয়াসড়ক থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যাপারে আমি খ্রিস্টান মিশন, নয়াসড়ক মাদরাসা ও উইমেন্স মেডিকেলের সাথে পৃথক পৃথকভাবে বসেছি। তারা আমাকে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য জায়গা ছেড়ে দেবেন বলেন জানালে নগরভবন থেকে টেন্ডার আহবান করে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ শুরু করি। ইতিমধ্যে খ্রিস্টান মিশন অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় সোমবার সকালে উইমেন্স মেডিকেলে সিটি করপোরেশনের একজন প্রকৌশলী ও কিছু শ্রমিক যান। কিন্তু তাদেরকে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে দেন।’

মেয়র বলেন বিষয়টি জানতে চেয়ে তিনি হাসপাতালের উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদকে ফোন দিই। তিনি জানান রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ার ব্যাপারে আমরা ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি ওই কমিটিতে কারা রয়েছেন জানতে চাই উনার কাছে। এসময় তিনি বলেন- ‘তোমাকে’ আমি কেন বলবো এই কমিটিতে কারা আছেন? এমন আচরণে আমি ফোন রেখে দেই।

বিকালে সরাসরি কয়েকজন কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে আমি হাসপাতালে গিয়ে ডা. শাহ আহাদের সাথে দেখা করি। এসময় আমি তার রুমে গিয়ে রাস্তার ব্যাপারে কথা বলি। কিন্তু সেখানে তিনি ন্যূনতম সৌজন্যতাও দেখাননি। আমি একজন মেয়র আমাকে বসতেও বলেননি।

পরে আমার সাথে থাকা কাউন্সিলরদের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। পরে আমি তাদেরকে সরিয়ে নিয়ে আসি। তখন সেখানে থাকা মেডিকেলের পরিচালনা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিনসহ অন্যরা আমাদের নিয়ে পাশের রুমে বসেন।
এসময় সেখান থেকে আমি শুনতে পাই অন্যরুমে কথাবার্তা চলছে যে আমি মারধোর করেছি। অশালীন আচরণ করেছি। এটা শুনে আমি বুঝতে পারছি তৃতীয় কোনপক্ষ বিষয়টি থেকে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে চাচ্ছে। এটা সেই চেনা ষড়যন্ত্রেরই অংশ। যেকারণে আমাকে দীর্ঘদিন জনসেবা থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়েছে।

উইমেন্স কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছেন দাবি করেন মেয়র। মেয়র বলেন ভূয়া ও মিথ্যা তথ্য সাজিয়ে যদি তারা মামলা করেন তবে তার বিপরীতে নগরভন কর্তৃপক্ষও মামলা করবে।
উল্লেখ্য,সোমবার বিকাল ৩টার দিকে কয়েকজন কাউন্সিলদের সাথে নিয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদের সাথে কথা বলতে যান। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ঘটে। মেয়রের পক্ষ নিয়ে কাউন্সিলররা ডা. শাহ আব্দুল আহাদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরে মেয়র কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
এরপরই বাকবিতন্ডার এই ঘটনাকে মেয়রের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ আনেন ডা. শাহ আব্দুল আহাদ।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: