Wednesday, 18 October, 2017 | ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কামরান এবং আরিফ দুই জন দুই দলে জনপ্রিয়  » «   মৌলভীবাজারে শোকের মাতম চলছে  » «   নগরবাসীকে সব ধরণের সেবা দিতে সিসিক অঙ্গীকারবদ্ধ: আরিফ  » «   জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সফলতা  » «   পরোয়ানা থাকলেই খালেদাকে গ্রেপ্তার করা হবে এটা ঠিক নয়: আইজিপি  » «   সিলেটে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট  » «   মিয়াদ খুনের ঘটনায় সিলেটে ছাত্রলীগের চারদিনের কর্মসূচি  » «   মিয়াদের লাশ নিয়ে ছাত্রলীগের মিছিল, চৌহাট্টায় সড়ক অবরোধ  » «   ‘আমার মেয়ের মতো ইন্টারনেট আসক্ত যেন কেউ না হয়’  » «   সিলেটে ছাত্রলীগের গ্রুপিং: আর কত লাশ পড়বে?  » «   মুখে কৈ মাছ আটকে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে ৫ সিলেটির মৃত্যু  » «   মেয়রের নির্দেশে নামাজের সময় দোকানপাট বন্ধ  » «   ভূটানের রাষ্ট্রদূতের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগকর্মী খুন  » «  
Advertisement
Advertisement

বাবা রামের বিছানায় সাধ্বীদের পাঠাতো কথিত মেয়ে!

দৈনিকসিলেটডেস্ক:ধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিমের সিংয়ের সঙ্গে কথিত মেয়ে হানিপ্রীতের যৌন সম্পর্কের কথা ইতিমধ্যেই জানাজানি হয়েছে। তবে বাবার এই পালিত মেয়ের বিরুদ্ধে এবার উঠেছে আরো গুরুতর অভিযোগ।

খোদ হানিপ্রীতেরই ঘনিষ্ঠ এক বান্ধবী দাবি করেছেন, বাবার লালসা পূরণে সাধ্বীদের তার বিছানায় পাঠাতো খোদ এই মেয়ে। খবর: জিনিউজ।

হানিপ্রীতের ওই বান্ধবী ডেরার প্রাক্তন ওই সাধ্বী দাবি করেন, প্রতিদিন রাত ১০টার সময় হানিপ্রীতকে এসএমএস করতেন রাম রহিম। আর রাম রহিমের দাবি পূরণ করত হানিপ্রীত।

তিনি বলেন, রাম রহিমের সঙ্গে হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। তাদের এক বিছানায় শুয়ে থাকতেও বহুবার দেখেছি। নিজে তো বটেই, অন্য মেয়েদেরও রাম রহিমের লালসার শিকার হতে বাধ্য করতো হানিপ্রীত।

তদন্তকারীদের ওই সাধ্বী জানান, রাম রহিমের ডেরায় যখন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো, তখন সুন্দরী সাধ্বীদের অনুষ্ঠানে হাজির করানোর দায়িত্ব থাকতো হানিপ্রীতের উপর।

তিনি বলেন, প্রত্যেক সাধ্বীর উপরই নজর থাকতো রাম রহিমের। যাকে পছন্দ হতো, তাকে রাতে যেতে হতো বাবার গুহায়। কোন সাধ্বীকে সেই রাতে লালসার শিকার বানাতে চান, তা অনুষ্ঠান চলাকালীনই ঠিক করে নিতেন রাম রহিম। পরে তার নাম হানিপ্রীতের মোবাইলে এসএমএস করে দিতেন তিনি।

সাধ্বীর দাবি, প্রথমে স্বেচ্ছায় আনন্দের সঙ্গে গুহায় যেতে রাজি থাকত মেয়েরা। কারণ হানিপ্রীত তাদের বোঝাতো- তারা বাবার আশির্বাদ পাবে। এরপর হানিপ্রীত তাদের গোলাপি রঙের পানীয় খাওয়াতো। সেটা পান করার পরই কিছুটা আচ্ছন্ন হয়ে যেত তারা। ভণ্ডবাবার গুহা থেকে বের হওয়ার পর কোনো মেয়েই আর কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে থাকতো না।

সাধ্বীর কথায় উঠে এসেছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাম রহিম নাকি গুহার ভিতর ৪-৫ জন সাধ্বীর সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় নাচও করতেন।

দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা খাটছেন বাবা রাম রহিম। বাবাকে জেলে পুরতেই উধাও হয়ে গেছেন তার কথিত কন্যা মোস্ট ওয়ান্টেড হানিপ্রীত। তাকে হন্য হয়ে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

উপদেষ্টা: ড.এ কে আব্দুল মোমেন
সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: