Wednesday, 18 October, 2017 | ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কামরান এবং আরিফ দুই জন দুই দলে জনপ্রিয়  » «   মৌলভীবাজারে শোকের মাতম চলছে  » «   নগরবাসীকে সব ধরণের সেবা দিতে সিসিক অঙ্গীকারবদ্ধ: আরিফ  » «   জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সফলতা  » «   পরোয়ানা থাকলেই খালেদাকে গ্রেপ্তার করা হবে এটা ঠিক নয়: আইজিপি  » «   সিলেটে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট  » «   মিয়াদ খুনের ঘটনায় সিলেটে ছাত্রলীগের চারদিনের কর্মসূচি  » «   মিয়াদের লাশ নিয়ে ছাত্রলীগের মিছিল, চৌহাট্টায় সড়ক অবরোধ  » «   ‘আমার মেয়ের মতো ইন্টারনেট আসক্ত যেন কেউ না হয়’  » «   সিলেটে ছাত্রলীগের গ্রুপিং: আর কত লাশ পড়বে?  » «   মুখে কৈ মাছ আটকে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে ৫ সিলেটির মৃত্যু  » «   মেয়রের নির্দেশে নামাজের সময় দোকানপাট বন্ধ  » «   ভূটানের রাষ্ট্রদূতের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগকর্মী খুন  » «  
Advertisement
Advertisement

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের বাসিন্দা নয়: মিয়ানমার সেনাপ্রধান

দৈনিকসিলেটডেস্ক : মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেছেন, রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়। আর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা গণমাধ্যমে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করা হয়েছে।
মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্কট মার্সিয়েলের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। এরপর সেই আলোচনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট দেন মিন। তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার রয়টার্স প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তবে সেনাসদস্যদের দ্বারা রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে ওই বৈঠকে তিনি কোনো কথা বলেননি বলে জানা গেছে।

এমনকি মিন অং হ্লাইয়াং রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে মন্তব্য করেছেন। বলেন, তারা মিয়ানমারের জন্য ক্ষতিকর। আর সাবেক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিই এ জন্য দায়ী।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা স্বীকৃতি দাবি করছে অথচ তারা কখনো মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী ছিল না। এটি ‘বাঙালি’ ইস্যু। আর এই সত্য প্রতিষ্ঠায় একতাবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান বলেন, ‘তারা কোনোভাবেই মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়। নথিপত্র প্রমাণ করে, তারা কখনো রোহিঙ্গা নামেও পরিচিত ছিল না। ঔপনিবেশিক আমল থেকেই তারা বাঙালি ছিল। মিয়ানমার তাদের এ দেশে নিয়ে আসেনি। ঔপনিবেশিক আমলেই তারা এসেছিল।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর গতকাল বুধবার বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উৎখাতে ঘরবাড়ি, শস্য ও গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর বলেছে, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ফাঁড়িতে বিদ্রোহীদের হামলার আগে থেকেই সেখানে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ইস্যু বহুদিন ধরেই মিয়ানমারের অন্যতম আলোচিত সংকট। তবে এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘রোহিঙ্গা’ বলতে নারাজ মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। গত ২৫ আগস্ট রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলা এই সংকটকে নতুন করে উসকে দেয়। এর জেরে সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়, চলে দমন-পীড়ন। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ আসছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

উপদেষ্টা: ড.এ কে আব্দুল মোমেন
সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: