Wednesday, 13 December, 2017 | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
সোনালী ব্যাংকের নামফলকে এখনো ‘ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান’  » «   ‘এদেশে ধর্মের দোহাই দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার সুযোগ নেই’  » «   সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ  » «   সিলেটে যে অস্ত্রে কাবু রাজনীতিকরা  » «   শিবির তাড়িয়ে ওসমানী মেডিকেলে ছাত্রাবাসের কক্ষ দখলে নিল ছাত্রলীগ  » «   আমেরিকায় বন্ধ হচ্ছে পারিবারিক চেইন ভিসা!  » «   বিদ্যুতের খুটি পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   ঢাকাকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রংপুর  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রান্সফর্মারে আগুনে ক্ষতি ৩০ কোটি টাকা, তদন্ত কমিটি  » «   রাবেয়া খাতুন চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  » «   হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   মহীয়সী নারী রাবেয়া খাতুন চৌধুরী  » «   হবিগঞ্জ থেকে ৫ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার  » «   মানবাধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মেয়র  » «   ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড  » «  

Advertisement

তাহিরপুরে ২ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী মামলা

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:  স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় হত্যা, লুটপাট, ধর্ষণসহ মানবতা বিরোধী অভিযোগে তাহিরপুর উপজেলার ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন তাহিরপুর সদর উপজেলার উজান তাহিরপুর গ্রামের মৃত. মাইন উদ্দিনের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ঢাকা আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালে প্রেরণ করার আদেশ দিয়েছেন।
এই মামলায় তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামের মৃত. সফর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৬১) এবং মৃত. আব্দুল জব্বারের ছেলে আফাজ উদ্দিন (৭০) কে আসামী করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামী শফিকুল ইসলাম চিহ্নিত খুনি, লুটেরা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পরিবারের সন্তন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আসামীর পরিবার এলাকায় লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণসহ মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ছিল। আসামীর বাবা সফর আলী সশস্ত্র রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। আসামীর আপন বড় ভাই নুরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই কুরবান আলী, আসামী আফাজ উদ্দিন ও ফুফাতো ভাই কাজী মিয়া রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম তার পিতা ও ভাইদের সাথে মানবতা বিরোধী অপরাধে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট সকালে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের ইসমাইল আলী, সাহানুর মিয়া, চান মিয়া, ইছব আলী এবং উজান তাহিরপুর গ্রামের আব্দুল বারিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাড়ি থেকে গাঙ্গুলি বাড়ির সামনে আসলে পাকিস্তানী বাহিনী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু অভিযুক্ত শফিকুল এবং তার পিতা মৃত. রাজাকার নুরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই মৃত. কুরবান আলী, অভিযুক্ত আফাজ উদ্দিন পাকিস্তনী সেনাদের দিয়ে আবার তাদের ধরে নিয়ে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। অপরদিকে একই সময়ে ১৯৭১ সালের ২৫ আগস্ট সকালে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম পাকিস্তনী বাহিনীর সাথে যুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হন। এসময় অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও আফাজ উদ্দিন সহ রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা কাশেমকে টেনে হিছড়ে তহসিল অফিসের সামনে নিয়ে দা দিয়ে কেটে হত্যা করে।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যার্থে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: