Wednesday, 18 October, 2017 | ৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কামরান এবং আরিফ দুই জন দুই দলে জনপ্রিয়  » «   মৌলভীবাজারে শোকের মাতম চলছে  » «   নগরবাসীকে সব ধরণের সেবা দিতে সিসিক অঙ্গীকারবদ্ধ: আরিফ  » «   জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সফলতা  » «   পরোয়ানা থাকলেই খালেদাকে গ্রেপ্তার করা হবে এটা ঠিক নয়: আইজিপি  » «   সিলেটে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট  » «   মিয়াদ খুনের ঘটনায় সিলেটে ছাত্রলীগের চারদিনের কর্মসূচি  » «   মিয়াদের লাশ নিয়ে ছাত্রলীগের মিছিল, চৌহাট্টায় সড়ক অবরোধ  » «   ‘আমার মেয়ের মতো ইন্টারনেট আসক্ত যেন কেউ না হয়’  » «   সিলেটে ছাত্রলীগের গ্রুপিং: আর কত লাশ পড়বে?  » «   মুখে কৈ মাছ আটকে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে ৫ সিলেটির মৃত্যু  » «   মেয়রের নির্দেশে নামাজের সময় দোকানপাট বন্ধ  » «   ভূটানের রাষ্ট্রদূতের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগকর্মী খুন  » «  
Advertisement
Advertisement

তাহিরপুরে ২ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী মামলা

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:  স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় হত্যা, লুটপাট, ধর্ষণসহ মানবতা বিরোধী অভিযোগে তাহিরপুর উপজেলার ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন তাহিরপুর সদর উপজেলার উজান তাহিরপুর গ্রামের মৃত. মাইন উদ্দিনের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ঢাকা আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালে প্রেরণ করার আদেশ দিয়েছেন।
এই মামলায় তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামের মৃত. সফর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৬১) এবং মৃত. আব্দুল জব্বারের ছেলে আফাজ উদ্দিন (৭০) কে আসামী করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামী শফিকুল ইসলাম চিহ্নিত খুনি, লুটেরা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পরিবারের সন্তন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আসামীর পরিবার এলাকায় লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণসহ মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ছিল। আসামীর বাবা সফর আলী সশস্ত্র রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। আসামীর আপন বড় ভাই নুরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই কুরবান আলী, আসামী আফাজ উদ্দিন ও ফুফাতো ভাই কাজী মিয়া রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম তার পিতা ও ভাইদের সাথে মানবতা বিরোধী অপরাধে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট সকালে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের ইসমাইল আলী, সাহানুর মিয়া, চান মিয়া, ইছব আলী এবং উজান তাহিরপুর গ্রামের আব্দুল বারিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাড়ি থেকে গাঙ্গুলি বাড়ির সামনে আসলে পাকিস্তানী বাহিনী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু অভিযুক্ত শফিকুল এবং তার পিতা মৃত. রাজাকার নুরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই মৃত. কুরবান আলী, অভিযুক্ত আফাজ উদ্দিন পাকিস্তনী সেনাদের দিয়ে আবার তাদের ধরে নিয়ে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। অপরদিকে একই সময়ে ১৯৭১ সালের ২৫ আগস্ট সকালে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম পাকিস্তনী বাহিনীর সাথে যুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হন। এসময় অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও আফাজ উদ্দিন সহ রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা কাশেমকে টেনে হিছড়ে তহসিল অফিসের সামনে নিয়ে দা দিয়ে কেটে হত্যা করে।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যার্থে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

উপদেষ্টা: ড.এ কে আব্দুল মোমেন
সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: