Tuesday, 16 January, 2018 | ৩ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

Advertisement

কামরান এবং আরিফ দুই জন দুই দলে জনপ্রিয়

দৈনিকসিলেটডটকম:২০১৮ সালে অুনষ্ঠিতব্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হবার জন্য ইতোমধ্যে অনেকেই প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন। মেয়র পদের প্রার্থীরা এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সে জন্য অনেকেই দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর তদবির শুরু করারও খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে।
দেশে প্রধান দুটি দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)তে একাধিক প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদন্দ্বিতা করার  আগ্রহ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।
আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেতে যারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  আসাদ উদ্দিন আহমদ,মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ এবং সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে বর্তমান মেয়র, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানাল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
জাতীয় পার্টিরও (জাপা) একাধিক নেতা মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরও মেয়র প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত লড়াই হবে আওয়ামীলীগে এবং বিএনপির মধ্যে। আর সে লক্ষে দলও চাইবে যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে।
এ ক্ষেত্রে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও আরিফুল হক চৌধুরী। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতেও এই দুই প্রার্থী জনপ্রিয়।

বদর উদ্দিন আহমদ কামরান একজন  জননন্দিত নেতা। নগরীর সাধারণ মানুষের আপন জন। তার আর্কষনীয় ব্যবহারে সকলেই মুগ্ধ। মানুষ তাকে ভরসার স্থল হিসেবে ভাবে এবং তার কাছে সুখ-দুখের বিষয়গুলো শেয়ার করে। তিনিও সুখে-দুখে সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন।
একাধিকবার ছিলেন ওয়ার্ড কমিশনার। তারপর পৌর মেয়র। সবশেষ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র এবং পরে নগরবাসীর বিপুল ভোটে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়ে আবারো নিজের যোগ্যতার জানান দেন যথারীতি। আর তখন থেকেই নগরবাসী ভালবেসে তাদের চিরচেনা এই অভিভাবকের নামের পাশে জননন্দিত শব্দটিও যুক্ত করে দেন অবলীলায়।

অন্যদিকে বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী পরিচিত হয়ে ওঠেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের প্রিয়জন হিসেবে। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সাইফুর রহমানের আর্শিবাদে তিনি সিলেট নগরীর বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড তদারকী করার সুযোগ পান। বিশেষ করে রাস্তা প্রস্তকরন, ড্রেন কালর্বাড নির্মাণ ইত্যাদি। পরবর্তিতে বিশেষ পরিস্থিতে তিনি মেয়র কামরানের মতো প্রার্থীকে পরাজিত করে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হোন। নগর উন্নয়নে জোর তৎপরতা শুরু করেন। কিন্তু অল্প দিনের মাথায় সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়া হত্যা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরিফের নাম সংযুক্ত করায় তাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়। তার পর দীর্ঘ দিন তিনি কারাগারে থাকেন। তার জামিন নিয়েও অনেক নাটকিয়তা হয়। আর এই বিষয় গুলো সিলেটের মানুষ সহজভাবে মেনে নেয়নি। জামিনে বের হয়ে তিনি আবার ফুটপাত দখল মুক্ত করতে এবং রাস্তা-ঘাট প্রশস্ত করতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: