Sunday, 19 November, 2017 | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কান থেকে ডিভাইস পড়ে ধরা খেলেন শাবিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থী!  » «   শাহজালালের মাজারের কুপের পানিকে জমজমের পানি বলে প্রতারণা: তদন্তের নির্দেশ আদালতের  » «   মৌলভীবাজারে অবাধে চলছে পাহাড় কাটা  » «   কিংবদন্তি নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী  » «   নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে:জেলা প্রশাসক  » «   আম্বরখানায় ছাত্রলীগ ও অটোরিক্সা শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, অবরোধ  » «   সম্মানিত হয়েছে ইউনেস্কো : ড. জাফর ইকবাল  » «   সিলেট মহানগর বিএনপির আনন্দ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «   খাদিমপাড়ায় টিলাকাটার অভিযোগে একজনকে দুইলক্ষ টাকা জরিমানা  » «   জৈন্তাপুরে বেকারদের জন্য ন্যাশনাল সার্ভিস চালু  » «   এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আগুন: ২৯ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী জড়িত  » «   ওসমানী মেডিকেলের ইর্মাজেন্সী গেইটে অটোরিক্সা ভাংচুর  » «   যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে  » «   সিলেটে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ  » «   সিলেটে শতকোটি টাকা ব্যয়ে ইসকন মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «  

 

Advertisement
Advertisement

অবশেষে স্বর্ণ ‘প্রসব করলেন’ তিনি

দৈনিকসিলেটডেস্ক:রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মো. মিজান আহমেদ (৪০) নামের এক যাত্রীর পেট থেকে দুটি স্বর্ণের বারসহ চারটি স্বর্ণের রিং উদ্ধার করেছেন শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরা।

আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টায় মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন মিজান। তিনি কুমিল্লা সদর উপজেলার আবদুল মান্নানের ছেলে।

শুল্ক গোয়েন্দার ওয়েবসাইটে বলা হয়, শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিজানের ওপর নজর রাখেন। কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গ্রিন চ্যানেল পার হয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। মিজানের চোখে কালো দাগ ও হাঁটাচলায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ করার পর গোয়েন্দা সদস্যদের সন্দেহ ঘনীভূত হয়। তবে তিনি পেটে স্বর্ণ থাকার কথা স্বীকার করেননি।

জিজ্ঞাসাবাদের পর মিজানকে আর্চওয়ে মেশিনে হাঁটানো হয়। তখন গোয়েন্দাকর্মীরা তাঁর পেটের ভেতর স্বর্ণ থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন। নিজে থেকে স্বর্ণ বের না করে পরে তাঁকে উত্তরার জাহানারা ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়।

এক্স-রে প্রতিবেদনে মিজানের তলপেটে স্বর্ণের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হয় শুল্ক গোয়েন্দার দল। এর পর তাঁকে আবার বিমানবন্দর নিয়ে শরীর থেকে স্বর্ণ বের করার চেষ্টা চলতে থাকে। তাঁকে কলা ও জুস খেতে দেওয়া হয়। শুল্ক গোয়েন্দাদের উপস্থিতিতে টয়লেটের অভ্যন্তরে বিশেষ কায়দায় তাঁর পায়ুপথ দিয়ে দুটি স্বর্ণের বার বের করে আনা হয়। পরে মিজানের হাতব্যাগ থেকে আরো চারটি স্বর্ণের রিং পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিজান জানান, আকাশে বিমানে অবস্থানের সময় তিনি দুটি স্বর্ণের বার টেপ দিয়ে মুড়ে পায়ুপথে প্রবেশ করান।

গ্রেপ্তার ওই যাত্রীর পাসপোর্ট পরীক্ষায় দেখা যায়, ২০১৭ সালে তিনি চারবার কুয়ালালামপুর ভ্রমণ করেছেন। তবে প্রতিবার স্বর্ণ বহন করেছিলেন কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে।

শুল্ক গোয়েন্দার পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক দুটি স্বর্ণবারের প্রতিটির ওজন ১০০ গ্রাম করে। এ ছাড়া চারটি রিংয়ের মোট ওজন ৫৮ গ্রাম। আটক স্বর্ণের মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। মিজানকে চোরাচালানের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জব্দ করা স্বর্ণ কাস্টমস গুদামে জমা করা হবে এবং পরে তা বিশেষ প্রহরায় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হবে বলে জানানো হয়েছে শুল্ক গোয়েন্দার ওয়েবসাইটে।

এদিকে, শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা আজ শাহজালাল বিমানবন্দরে আলাদা একটি অভিযান চালিয়ে এক যাত্রীর কাছ থেকে আমদানি নিষিদ্ধ ৬০ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট আটক করেছে। এসব সিগারেট ৩০০টি কার্টনে পাওয়া যায়।

গ্রেপ্তার ওই যাত্রীর নাম মো. মতি। তিনি নরসিংদীর রায়পুরার বাসিন্দা। তিনি আজ সকাল ৮টার দিকে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় অবতরণ করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা ব্যাগেজ বেল্টসহ গ্রিন চ্যানেলে বিশেষ নজরদারি রাখে। মতি ২ নম্বর বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহ করে স্ক্যানিং ফাঁকি দিয়ে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করে চলে যাওয়ার সময় তাঁকে আটক করা হয়।

পরে কাস্টমস হলে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে মতির সঙ্গে থাকা দুটি লাগেজ খুলে ৬০ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি ব্ল্যাক ব্র্যান্ডের সিগারেট জব্দ করা হয়। শুল্ককরসহ ওই সিগারেটের মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: