Wednesday, 22 November, 2017 | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে গুলি, কার্তুজসহ ২ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ সফলের লক্ষে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা  » «   নবীগঞ্জে ৩ সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যা ॥ আহত ২  » «   আ’লীগ নেতা বিজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা  » «   ‘তারেক রহমানের নাম’ আবারো ভুল করলেন মেয়র আরিফ!  » «   সুরমা নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনায় সিসিকের উচ্ছেদ অভিযান  » «   ‘স্প্রে পার্টি’ এখন সিলেটে, সাবধান…  » «   আজ জকিগঞ্জ শত্রু মুক্ত দিবস: রাষ্টীয় স্বীকৃতির দাবী  » «   ‘একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে’  » «   প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় শায়েস্তাগঞ্জে উৎসবের আমেজ  » «   এমপি সেলিম উদ্দিনের রোষানলে ট্রাফিক পুলিশ!(ভিডিও সহ)  » «   সিসিকের গাড়ি কেলেংকারী : আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন  » «   মৌলভীবাজারের ৫ আসামির রায় যেকোনো দিন  » «   নেতাকর্মীর ‘কদর’ বাড়ছে মেয়র পদপ্রার্থীর কাছে  » «   খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা শম্পা চক্রবর্তীর জাল সনদ: তোলপাড়  » «  

 

Advertisement
Advertisement

বিয়ের আগেই এক বিছানায় নারী-পুরুষ!

দৈনিকসিলেটডেস্ক: পরিবার বা সম্প্রদায়ের সম্মানরক্ষায় অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাকেই ‘অনার কিলিং’-এর বলি হতে হয়েছে। বিশেষত আদিবাসী সম্প্রদায়গুলি এই ধরনের সম্পর্কে ভীষণ রকম কড়া।

তবে, ভারতেরই এক আদিবাসী সম্প্রদায় যে এর উল্টোধারায় বিশ্বাস করে তা ক’জন জানতেন? যেখানে কোনও বাঁধার সম্মুখীন না হয়েই বিয়ের আগে নিজের ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে বছরের পর বছর এক সাথে রাত কাটানো যায়।

ভারতের রাজস্থানের গাড়সিয়া সম্প্রদায়ের এটাই রীতি। বিয়ে না করেই এই সম্প্রদায়ের পুরুষ এবং মহিলারা একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। এরপরে যখন আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য আসে, তখনই দু’জনে বিয়ে করেন।

 

যেমন, সম্প্রতি ৭০ বছরের নানিয়া গাড়সিয়ার সঙ্গে তার ৬০ বছর বয়সী ‘লিভ-ইন’ পার্টনার কালির বিয়ে হল। তাদের তিন সন্তানও একই দিনে নিজেদের ‘লিভ-ইন’ পার্টনারকে বিয়ে করেছেন। লিভিং সম্পর্ক থেকেই তাদের এই তিন সন্তানের জন্ম।

প্রথা অনুযায়ী, কৈশোরেই এই সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা নিজেদের পছন্দের সঙ্গির সঙ্গে পালিয়ে যায়। এরপর তারা ফিরে এসে এক সাথে থাকতে শুরু করে। আপত্তি করা দূরে থাক, নতুন জীবন শুরু করার আগে ছেলেটির পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির পরিবারের হাতে কিছু অর্থও তুলে দেওয়া হয়। এরপরে যখন এই পার্টনাররা বিয়ে করেন, সেই সময় বিয়ের সমস্ত খরচও পাত্রপক্ষ বহন করে।

এমন প্রথা নিয়ে হয়তো অনেকেই নাক কুঁচকোতে পারেন। কিন্তু বাস্তবটা হল, এমন সামাজিক উদারতা থাকার জন্যই এই আদিবাসী সম্প্রদায়ে জোর করে সম্ভম নষ্ট বা পণের দাবিতে মৃত্যুর মতো ঘটনা নেই বললেই চলে। রাজস্থানের এই আদিবাসী সম্প্রদায়ে মহিলাদের সামাজিক প্রতিষ্ঠা পুরুষদের তুলনায় বেশি ছাড়া কম নয়। -এবেলা

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: