Wednesday, 13 December, 2017 | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
সোনালী ব্যাংকের নামফলকে এখনো ‘ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান’  » «   ‘এদেশে ধর্মের দোহাই দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার সুযোগ নেই’  » «   সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ  » «   সিলেটে যে অস্ত্রে কাবু রাজনীতিকরা  » «   শিবির তাড়িয়ে ওসমানী মেডিকেলে ছাত্রাবাসের কক্ষ দখলে নিল ছাত্রলীগ  » «   আমেরিকায় বন্ধ হচ্ছে পারিবারিক চেইন ভিসা!  » «   বিদ্যুতের খুটি পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   ঢাকাকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রংপুর  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রান্সফর্মারে আগুনে ক্ষতি ৩০ কোটি টাকা, তদন্ত কমিটি  » «   রাবেয়া খাতুন চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত  » «   হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   মহীয়সী নারী রাবেয়া খাতুন চৌধুরী  » «   হবিগঞ্জ থেকে ৫ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার  » «   মানবাধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মেয়র  » «   ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড  » «  

Advertisement

জগন্নাথপুরে বোরো ধান চাষের আগেই পানি সংকট

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো ধান চাষের আগেই পানি সংকট দেখা দেয়ায় প্রায় দেড় সহস্রাধিক কৃষক চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন । ইতিমধ্যে অনেকেই বীজ তলা তৈরীর কাজ সম্পন করেছেন আবার অনেকেই বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান। তবে এরই মধ্যে পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় শুরুতেই বোরো ধান চাষে হোচট খাওয়ার সম্ভাবনায় দুশ্চিন্তার প্রহর গুনছেন দুই ইউনিয়নসহ পৌরসভার পাঁচটি গ্রামের কৃষকরা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জগন্নাথপুর পৌরসভার ইলছি ও মোলাডুপি হাওরে বোরো ধান চাষে সেচের জন্য শহরের ইসহাকপুর এলাকার মাগুরা খালে বোরো ধান চাষে সেচের জন্য পানি আটকে রাখতে গত ১ মাস পূর্বে ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি বাধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এক মাসের মাথায় বাঁধ ভেঙ্গে সেচের পানি নিম্নাঞ্চলে নেমে খাল শুকিয়ে যায় । ফলে বোরো ধানের চারা রোপনের আগেই পানি সংকট দেখা দেয় ।যার কারণে চরম হতাশা ও অজানা আতংকে দিন গুনছেন ওই এলাকার প্রায় দেড়-দুই সহ¯্রাধিক কৃষকরা। কৃষকদের অনেকেই জানান, মাস-দেড়েক আগে বাঁধটি নির্মাণ হলেও দুর্বল কাজের জন্য তিনবার সংস্কার করা হয়েছিল নির্মানাধীন ওই বাঁধটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপ্রাণ চেষ্টা করেও বাধটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হলো না। বাঁধ ভেঙ্গে সবটুকু পানি নিম্নাঞ্চলে নেমে যাওয়ায় খালটি শুকিয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। যেটুকু পানি ওই খালে রয়েছে তা দিয়ে বীজ তলায়ও সেচ দেয়া সম্বব নয়। তারপরও বাঁধটি মেরামত করে পানি আবারও জমা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা আরও বলেন, আমাদের ওই খালে প্রতিবছর বাঁধ নির্মান করে সেচের পানি সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু তার পরও সময়মতো পানি সংকট থেকে যায়। যদি সরকারি কোন উদ্যোগে আমাদের ওই হাওরে কোন সেচ প্রকল্প স্থাপন কিংবা একটা সুইচ গেট স্থাপন করা হয় তাহলে দেড় থেকে দুই সহস্রাধিক কৃষকের পানি সংকট নিরসন হবে। এতে করে আশার সঞ্চার জাগবে নতুন কৃষকদের মাঝে।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর খলিলুর রহমান বলেন, আমরা পৌরসভার মাধ্যমে ওই স্থানে প্রতিবছর বাঁধ নির্মাণ করে থাকি। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু নদীর পানির স্রোতে হঠাৎ ওই খালের পাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় বাঁধে তার প্রভাব পড়লে বাঁধটি ভেঙ্গে যায়। তার পরও আমরা বাঁধ মেরামত করে পুণরায় পানি সংরক্ষনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। কৃষকদের সহযোগিতায় এ সরকার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তবে আমাদের ওই এলাকার কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় যদি ওই স্থানে একটি সুইচ গেট স্থাপন করা যায় তাহলে দুই ইউনিয়নের কৃষকরা উপকৃত হবে।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: