Wednesday, 14 November, 2018 | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
Advertisement

কদম্বতলে বংশী বাজায় কে…

সৈয়দা আঁখি হক:এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা বৈষ্ণব কবি রাধারমণ দত্ত। সহজিয়া দর্শনের দিকপাল এই সুরের প্রদীপ ছিলেন কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা। যাঁর আধ্যাত্ম সাধনার একমাত্র অবলম্বন সংগীতের বাণীতে ঈশ্বর স্তুতি, মানবপ্রেম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সুরের মাধ্যমে তিনি যে ভক্তির প্রবাহ, ভক্তির প্লাবন প্রবাহিত করেছেন তা শ্রোতার হৃদমূল প্লাবিত করে।
ভাইরে রাধারমণ বলে, পাখি গেল কই
এগো, আই না দে মোর প্রাণপাখি, পিঞ্জিরাতে থই
জলে গিয়াছিলাম সই।
যাঁর অন্তরের নিখাদ প্রেম, কথা ও সুর মানুষের মনের অন্ধকার গলিকে আলোকিত করে দেখায় নতুন দিনের সূর্য, এমন একটি নাম ‘রাধারমণ’। সুনামগঞ্জে জেলার জগন্নাথপুরের কেশবপুর গ্রামে ১৮৩৩ সালে পিতা রাধামাধব দত্ত পুরকায়স্থ ও মাতা সুবর্ণা দেবীর কোলো জন্ম নেন তিনি। সুফি-আউল-বাউল-সাধু-সন্ত-পীর-ফকির-আউলিয়া-দরবেশ ও বৈষ্ণবদের চারণক্ষেত্র এবং অন্তর্দর্শী ভাবনায় স্রষ্টার গুণকীর্তনে মুখরিত বাংলার শ্রীভূমি। হাছন রাজা ও রাধারমণের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক ছিল। তাঁদের গানের মাহাত্ম্য ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বের বাংলা ভাষাভাষি সকল মানুষের হৃদয়ে। এ ছাড়া দুই বাংলায় রাধারমণের গীত ছাড়া যেন বিয়ের অনুষ্ঠান পূর্ণতাই পায় না, আনন্দমুখর পরিবেশে রমণীরা গেয়ে ওঠেন-
আমি রবো না, রবো না গৃহে
বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না।
মানুষের ভেতরে যে ব্রহ্মত্ব প্রথম থেকেই বিদ্যমান থাকে ধর্ম তারই প্রকাশ। পারিবারিক সূত্রে রাধারমণ ধর্ম ও সংগীতের প্রতি ছিলেন অনুরাগী। শৈশবকালের শিক্ষা, পিতার সাহচর্য আর স্রষ্টার প্রতি ভক্তি-রসের আর্তি তাঁর অন্তরে ফল্গুধারার মতো প্রবহমান ছিল। পণ্ডিত পিতার সান্নিধ্য ও অনুপ্রেরণায় রাধারমণ শিশুকাল থেকেই ছিলেন তত্ত্বজিজ্ঞাসু। সংগীতে আত্মমগ্ন হয়ে মুক্তির সন্ধান ও ঈশ্বর লাভের সহজ পথ অন্বেষণে ধর্মীয় নানা গ্রন্থ পড়তেন, বিভিন্ন সাধক ও গুণীজনের উপদেশ পালন করতেন। পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকে সাধন-ভজন ও ভাব-রসের অমৃত-সুধা পান করে ঈশ্বর আরাধনায় মগ্ন ছিলেন। ১২৫০ বঙ্গাব্দে ১৮৪৩ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে পিতৃহারা হয়ে ভাবোদয় হলো তাঁর মনোরাজ্যে।

কারে দেখাব মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে রইয়া রইয়া
ধীরে ধীরে হয়ে উঠলেন ধর্মানুরাগী ও স্রষ্টায় বিশ্বাসী, যাত্রা করেন সৃজন পথে। উত্তরাধিকার সূত্রেই তিনি সঙ্গীত প্রতিভার অধিকারী। সেই ঐতিহ্য ধারাতে অবগাহন-অনুসরণ করে সংগীত জগতে নিজের আসন প্রতিষ্ঠা করেন কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর হয়ে-
ভোমর কইও গিয়া
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় জ্বলিয়া
৩৫ বছর বয়সে মৌলভীবাজার জেলার আদি পাশা গ্রামের গুণময়ী দেবীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁর পত্নী-প্রেম সম্পর্কে বহু জনশ্রুতি রয়েছে আশপাশের এলাকাগুলোয়। প্রাত্যহিক জীবনে সংসারী হলেও সংগীত সাধনা থেকে বিচ্যুত হননি। শাক্ত, শৈব, বৈষ্ণব ও বিভিন্ন মতের চর্চা শুরু করেন। কিন্তু একমাত্র বিপিনবিহারী ব্যতীত বাকি তিন পুত্রের অকাল মৃত্যুশোকে স্ত্রী গুণময়ী দেবীও স্বর্গবাসী হলেন। কিশোর বিপিনবিহারীকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো মাতুলালয়ে। এদিকে নিঃসঙ্গতা ও অতিশোকে রাধারমণ বৈরাগ্য অবলম্বন করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
কামতৃষ্ণা, ভবতৃষ্ণা ও বিনাশতৃষ্ণা প্রতিনিয়ত মানুষের জীবনে দুঃখ ও হতাশা সৃষ্টি করে। কেবল বৈরাগ্যের দ্বারাই সকল তৃষ্ণা পূর্ণভাবে নিরোধ করা, ত্যাগ করা বা মুক্তিলাভ করা সম্ভব। তাই রাধারমণ বৈরাগ্য অবলম্বন করেছিলেন। তবে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াননি। কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর রাধারমণ বাড়ির কাছেই নলুয়ার হাওরে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে গুরু রঘুনাথ ভট্টাচার্য্যরে দীক্ষা নিলেন। সংগীতই ছিল তাঁর সহজিয়া সাধনার অঙ্গ। দিবা-রাত্রি কৃষ্ণপ্রেমের উন্মাদনায় সংগীতানন্দে মেতে থাকতেন। সাধনার অঙ্গ হিসেবে ভাবোন্মত্ত ভক্ত-শিষ্যরা নৃত্যসহকারে পরিবেশন করতো তাঁর রচিত অন্যতম প্রধান গীত ধামাইল।
‘শ্যামল ও বরণ রূপে মন নীল হরিয়া’
প্রেমাস্পদ ছাড়া যেমন প্রেম হয় না, তেমনি ভক্ত ছাড়া ভক্তি হয় না। তাই স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাধ্যমে গড়ে ওঠে প্রেম ও ভক্তির সম্পর্ক। স্রষ্টা ও সৃষ্টি দুই রূপ হলেও তাঁদের মিলন ঘটেছে প্রেমের মাধ্যমে। তাই রাধাকৃষ্ণের যুগলরূপ যুগে যুগে ধর্ম সাধনা, প্রেম, ভক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয়ে জীবনসাধনার প্রতীকী তাৎপর্যকে ধারণ করে এসেছে সাধকদের রচনায়। বৈষ্ণব পদাবলির তত্ত্বানুসরণ করে রাধারমণ বৈষ্ণব ধারায় বাউল গান ও ধামাইল গীতে মনের সকল আকুতি, অভিব্যক্তি তুলে ধরেন। চিন্তা, চেতনা ও ভাবনায় তিনি ছিলেন লোকায়ত দার্শনিক ও সহজিয়া মতের বৈষ্ণব। সহজিয়া সাধনার মূল অবলম্বনই হলো সঙ্গীত। সহজিয়া বৈষ্ণব ধর্মের প্রতি নিদারুণভাবে আকৃষ্ট হলেও পরধর্মের প্রতি পরম শ্রদ্ধাবোধ ছিল তাঁর। আলোকিত জীবনের ভাবদর্শনে এক বিশাল ভুবন সৃষ্টি করেন গীতি সাহিত্যের মাধ্যমে। গানের উল্লেখযোগ্য বিশেষত্ব হলো অপূর্ব গীতিময়তা ও সুরের মাধুর্য; যে সুরের ইন্দ্রজালে শ্রোতা তন্ময় হয়। বাঁশির প্রাধান্যটা ও চোখে পড়ার মতো, ‘কালায় প্রাণটি নিল বাঁশিটি বাজাইয়া’। রাধার সহিত কৃষ্ণের মিলনের তীব্র ব্যাকুলতা যেমন রয়েছে, তেমনি কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধার মনের সকল ব্যাকুলতা খুঁজে পাই। রয়েছে প্রেম, বিরহ-বিচ্ছেদ, আধ্যাত্মিক চেতনা, অনিত্য সংসারের হতাশা-নৈরাশা এবং ঈশ্বরকে না পাওয়ার শূন্যতার প্রকাশ। কখনো প্রেমিক-প্রেমিকার হৃদয়ের আকুলতা, মর্মবেদনা উপলব্ধি করেই লিখেন, ‘ও প্রাণ বিন্দে আমার প্রাণ যায় প্রাণ বন্ধু বিনে’। প্রেমামৃতের সন্ধান করেছেন নিজে প্রেমিক হয়ে।
এমনিভাবে দিনরজনী করো লুকোচুরি
ধরতে গেলে না দেও ধরা, দূরেতে যাও সরি।
গানের চাইতে বড় কোনো মন্ত্র নেই। সাধকের মুখ হতে উচ্চারিত শক্তিধর সুরের মন্ত্রে মানুষকে গৃহছাড়া করে, কাছে টানে, প্রাণে শান্তি জোগায়। অব্যক্ত বেদনাগুলো সুরে প্রকাশ করার মধ্যেই সাধকেরা শান্তি খোঁজেন। এই সুরই তাঁদের প্রেম, আরাধনা, প্রার্থনা, সাধনা, ভক্তি, বিশ্বাস। ‘ভাইবে’ মানে ভেবে কিংবা ভাবিয়া। বিনয়ের সহিত প্রত্যেকটি গানের শেষের তিন বা চার লাইনের মধ্যে নিজের নাম উল্লেখ করেছেন ‘ভাইবে রাধারমণ বলে’, ‘ভেবে রাধারমণ বলে’, ‘ভাবিয়া রাধারমণ কয়’, ‘রাধারমণ বলে’, ‘শ্রী রাধারমণ বলে’, ‘রমণ বলে’,।
ভাইবে রাধারমণ বলে মনেতে ভাবিয়া
পবিত্র, প্রত্যক্ষানুভ‚তিসম্পন্ন মহাপ্রাণ ব্যক্তিরাই জগতে সকল মহৎ কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁরা নিজের মায়াবন্ধন ছিন্ন করে অসীমের স্পর্শ লাভের চেষ্টায় রত থাকেন। তাঁদের সমগ্র চিত্ত ব্রহ্মানুধ্যানে নিমগ্ন। অর্থ, যশ ও ক্ষমতার স্পৃহামাত্র নেই, তাঁদের চাওয়া কেবল ভগবৎদর্শনে, ভগবৎস্বরূপে স্থিত হওয়াই তাঁদের নিগূঢ় রহস্য। সত্যদ্রষ্টা মহাপুরুষগণ কখনো কারো শত্রুতা করেন না, বরং ধর্মোপলব্ধি এবং ব্রহ্মলাভের সাধনায় ব্রতী হন। ঈশ্বর বলি বা অবতার, প্রত্যেকেই আপনার আপনার। তাই সত্য বস্তু লভিতে সাধকগণ কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে নিজের মুক্তির পথ খুঁজে নেন সম্যক সংকল্প বা উত্তম সংকল্পের মাধ্যমে। গানের মাঝেই করেন অসীমের সন্ধান।
তুমি হর্তা, তুমি কর্তা, শেষ তুমি আদিমূল
তুমি না তরাইলে মোরে, কেউ দিবে না চরণ ধুল।
স্বীয় প্রজ্ঞায় নিজেদের ভাবনা-সাধনার পথ আলোকিত করার মাধ্যমে অধ্যাত্মোপলোব্ধির ভেতর দিয়ে তাঁরা আপন করে নেন সকল স¤প্রদায়ের ঐতিহ্য। অন্যের ক্ষতি নয়, বরং পরের ভালোতেই আপনার ভালো হয়। পরের মুক্তি কামনায়ও ভক্তিতে নিজের মুক্তি সাধন হয়। এই বিশ্বাস বুকে লালন করে সংসারাসক্তি শূন্য হয়ে, মায়ার বাঁধন তুচ্ছ করে, সকল কলহের মূলও স্বার্থসিদ্ধি ত্যাগ করে সর্বকল্যাণস্বরূপ শ্রীগুরুর চরণ ধ্যানের মাধ্যমে সমস্ত পৃথিবীকে প্রণামের মাধ্যমে অমৃত সুধা পান করেন। তাঁরা নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, পরোপকারী, দয়াবান, ত্যাগী ও সিদ্ধপুরুষ। এঁদের কেবল একটিই চাওয়া, বেঁচে থাকার জন্য যেমন শ্বাস-প্রশ্বাস অপরিহার্য, তেমনি ভালোবাসার জন্য চাই ভালোবাসা। এটাই তাঁদের নিষ্কাম প্রেম।
তন্ত্রে মন্ত্রে হবার কিছু নয়,
প্রাণের পিপাসা যদি না থাকয়
সুফি, মরমি, বাউল, বৈষ্ণব প্রত্যেকেই তুচ্ছতার মাঝে উচ্চতা এবং সামান্যের মাঝে অসামান্যের উপস্থিতি অনুভব করেন। নিজের রূপে স্বরূপ খোঁজেন, যেন আপনার মাঝে আপনের সন্ধান। তাঁদের মনের মানুষ, অধর মানুষ, পরম পুরুষ, অচিন পাখিই হলো আত্মা বা পরমাত্মা। তাই মানবদেহ ও দুর্লভ মানবজীবনকে আধ্যাত্মিক সাধন কেন্দ্র মনে করেন, যেখানে বিরাজ করে মক্কা-মদিনা, গয়াকাশী-বৃন্দাবন। রাধারমণের গানে বৈরাগ্য ভাব-দর্শনের পাশাপাশি মানবিক প্রেমৈশ্বর প্রবলভাবে স্থান পেয়েছে। ঈশ্বর সম্পর্কে ধারণা পেতে প্রয়োজন ‘ভক্তি’। ‘ভক্তি’ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। অতি গুরুত্বপূর্ণ এই ভক্তির মাধ্যমে ভক্তের সঙ্গে ঈশ্বরের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনুভব করা যায়: এই ব্যক্তিগত সম্পর্ক অতীন্দ্রিয়, অনির্বচনীয়। যে সম্পর্ক দ্বারা ব্যক্তির আত্মা ঈশ্বরের আত্মায় বিলীন হয়ে যায়। ঈশ্বরের প্রতি ভক্তের সুগভীর প্রীতিকে রাধারমণ অনেক বড় ভাবেন, কারণ ভক্তের নিবিড় ভক্তি হতেই উৎসারিত প্রেমপ্রবাহ। তাঁর মতে, কৃষ্ণের দাস হয়ে থাকাই জীবের স্বরূপ। কেননা শ্রীকৃষ্ণের তিনটি শক্তি আছে যেমন- স্বরূপশক্তি, মায়াশক্তি, জীবশক্তি। শ্রীকৃষ্ণ চিরপ্রেমিক, চিরকিশোর, চিরসবুজ। তাই প্রেমভক্তিতে ভক্ত নিজেকে কৃষ্ণের দাস ভাবেন-
কান্দিয়া রাধারমণ বলে, পাইতাম যদি তারে
যতন করি রাখতাম আমার হিয়ার মাঝারে
অধরাকে ধরতে হলে আগে নিজেকে জানতে হবে। তাঁর রচিত গানগুলো সাধন ভজনের অঙ্গরূপে কোনো নির্দিষ্ট স¤প্রদায়, নির্দিষ্ট মানুষ কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এসব গান আমাদের সর্বশ্রেণীর, সর্বজাতির, সর্বকালের অমূল্য সম্পদ। অলৌকিক সৌন্দর্যের কবি রাধারমণ বিভিন্ন রূপকের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন তাঁর অভিব্যাক্তি। ঈশ্বরপ্রেম, কৃষ্ণপ্রেম ও মানবপ্রেম তাঁর অস্তিত্বে কেবল ভক্তির স্রোতধারা নয়, মানব কল্যাণেও এর প্রভাব পড়েছে।
অন্তরেতে ঘুণ ধরেছে, পাক ধরেছে সব চুলে
দাঁত লি সব খসে গেছে, মাংসপেশি গেছে ঝুলে
জীবনের পরন্ত-বেলায় ইস্টনামে মগ্ন থেকে আরাধ্য সাধনায় নিজেকে উৎসর্গ করে রাধারমণ হলেন অন্তর্হীন পথের যাত্রী। ১৩২২ বাংলা ২৬ কার্তিক ১৯১৫ সাল, শুক্রবার শুক্লা তিথিতে এই মহান সাধক ধুলার ধরণি ত্যাগ করে চলে গেলেন ঊর্ধ্বজগতের আড়ালে।
গায়ে দিয়ে নতুন বসন, দগ্ধ করবে অনলে
বিষয় বৈভব পড়ে রবে, ভাইরে রাধারমণ বলে

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: