Friday, 22 June, 2018 | ৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

Advertisement

যেসব কাজে রোজা ভেঙে যায়

দৈনিকসিলেটডটকম: সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। আরবি দ্বিতীয় হিজরিতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন মুসলিমদের ওপর রোজ ফরজের বিধান নাজিল করেন। প্রতি বছর রমজান মাসে সারা বিশ্বের মুসলিমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সিয়াম পালন করেন। রোজ অবস্থায় কিছু কাজ করলে রোজা ভেঙে যায় এবং কাজা আদায় করা ওয়াজিব হয়। আবার কিছু কাজ আছে যেগুলোতে রোজা ভেঙে যায় এবং সেই রোজার জন্য কাজা আদায় এবং কাফফারা দুটোই করতে হয়।

যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং শুধু কাজা করা ওয়াজিব হয়

৮ কাজে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং শুধু কাজা করা ওয়াজিব হয়; কাফফারা-

১. স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শ প্রভৃতির করার কারণে বীর্যপাত হলে।

২. স্বেচ্ছায় মুখ ভরে বমি করলে।

৩. পাথরের কণা, লোহার টুকরো বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।

৪. ডুস গ্রহণ করলে।

৫. নাকে বা কানে ফোটায় ফোটায় ওষুধ নিলে।

৬. পেট বা মাথার ক্ষতস্থানে তরল ওষুধ ব্যবহারের পর তা পেটে বা মস্তিষ্কে পৌছে গেলে।

৭. গুহ্যদ্বার ও যোনীপথ ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যৌনক্রিয়া করার ফলে বীর্য নির্গত হলে।

৮. স্ত্রীলোকের যোনীপথে ওষুধ ব্যবহার করলে।

যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং কাজা-কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হয়

৩টি কাজে রোজা ভেঙ্গে যায় এবং কাজার সাথে সাথে কাফফারাও ওয়াজিব হয়।

সেগুলো হলো, রোজার নিয়ত করার পর-

১. স্বেচ্ছায় এমন বস্তু খাওয়া যা খাদ্য বা ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২. স্বেচ্ছায় এমন বস্তু পান করা যা খাদ্য বা ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৩. ইচ্ছাকৃতভাবে গুহ্যদ্বার কিংবা যোনীপথে সহবাস করা। সহবাসের ক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটা শর্ত নয়; বীর্যপাত না ঘটলেও কাজা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করতে হবে।

মাসআলা : রোজা অবস্থায় কেউ কোনো বৈধ কাজ করলো। যেমন স্ত্রীকে চুম্বন দিল কিংবা মাথায় তেল দিল, তা সত্ত্বেও ওই ব্যক্তি রোজা নষ্ট হয়ে গেছে মনে করে এর পরে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার বা স্ত্রী সহবাস করলো, এমন ব্যক্তির উপর সে রোজার কাজা কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: