Sunday, 19 May, 2019 | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
Advertisement

টাওয়ার হ্যামলেটসে বাংলাভাষা শিক্ষা ও সমস্যা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক

দৈনিকসিলেটডেস্ক :সাপ্তাহিক সুরমা আয়োজিত ’টাওয়ার হ্যামলেটসে বাংলাভাষা শিক্ষা: সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেছেন, বাজেট স্বল্পতা বা কর্তনের অজুহাত দেখিয়ে মানুষকে তাদের অন্যতম মৌলিক অধিকার মাতৃভাষা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা যেতে পারে না। কোনো ধরণের কনসালটেশন না করে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিসের ফান্ডিং কর্তনের মাধ্যমে বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষকে তাদের মাতৃভাষা শিক্ষা ও চর্চা থেকে বঞ্চিত করা মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়। বক্তারা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে জনগণের প্রতিনিধি কাউন্সিলার বিশেষ করে বাঙালি কাউন্সিলার এমনকি প্রয়োজনে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত তিন এমপিকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিস (সিএলএস) এর ফান্ডিংকর্তন করা হলে বারার বাসিন্দা এগারোটি জাতিগোষ্ঠিকে তাদের মাতৃভাষা থেকে বঞ্চিত করা হবে। বিশেষ করে বিপুলসংখ্যক বাঙালি অধ্যুষিত এই বারার বাংলা ভাষাভাষি মানুষরা ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হবেন বেশী। তারা যে কোনো মূল্যে মাত্র ৬শ হাজার পাউন্ডের জনকল্যাণমূলক এধরনের প্রজেক্টের ফান্ডিং কর্তন থেকে কাউন্সিলকে বিরত থাকার আহবান জানান। গোলটেবিল বৈঠকে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জন বিগস উপস্থিত হয়ে সবার বক্তব্য শুনেন। তিনি বলেন, আমি কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ বন্ধ করার পক্ষে মোটেই নয়। কিন্তু নির্বাহী মেয়র হলেও আমি এককভাবে কিছু করতে পারবো না। কারণ আমাদের ক্যাবিনেট আছে। আমাদের লেবার কাউন্সিলার ছাড়াও অন্যান্য পার্টির কাউন্সিলাররা আছেন। বিষয়টি নিয়ে সবার মতামতের ভিত্তিতে বিবেচনা করার এবং এসম্পর্কে তাঁর পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব করার চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারী, সোমবার সন্ধ্যায় লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের অফিসে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান এবং পুরো বৈঠক সঞ্চালনা করেন সুরমার সম্পাদক ফরীদ আহমদ রেজা। তিনি তাঁর স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সূধী আলোচকদের কাউন্সিল কর্তৃক ফান্ডিং কাটের কারনে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিস বন্ধের মাধ্যমে টাওয়ার হ্যামলেটসে মাতৃভাষা চর্চার সুযোগ বন্ধ হওয়ার উপক্রমে কমিউনিটিতে সৃষ্ট উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরে কীভাবে তা থেকে উত্তরণ পাওয়া যায় তথা মাতৃভাষা চর্চার অব্যাহত রাখার বিষয়ে কাউন্সিলকে বাধ্য করা যায় সে সম্পর্কে সবার পরামর্শ আহবান করেন।
বাংলাদেশী টিচার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী বলেন, কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজের একটি মোটামুটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, এর আওতায় টাওয়ার হ্যামলেটসে ১১টি ভাসা শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে। প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত ১৫/১৬শত শিক্ষার্থী ক্লাসে অংশগ্রহণ করে থাকে এবং এর মধ্যে সহস্রাধিক বাঙালি শিক্ষার্থী রয়েছে। তিনি প্রতিটি কমিউনিটির শিক্ষার্থীদের একটি আনুমানিক চিত্র তুলে ধরেন, যাতে এরাবিক ৩ শত, লিথুনিয়ান ২ শ, চায়নিজ ২ শত রাশান ১শ, স্পেনিশ ৫০, সোমালি ৩০, উর্দু ২০, পাঞ্জাবী, ২০ ভিয়েতনামিজ ২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। কাউন্সিলের কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিসের ফান্ডিং কর্তনের সিদ্ধান্তে কমিউনিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষকরা নানা হুমকির শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি এব্যাপারে সবার সম্পৃক্ততা এবং এগিয়ে আসার আহবান জানান।

প্যারেন্টস এসোসিয়েশনের কো-অর্ডিনেটর ড. আব্দুল হান্নান কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ তথা মাতৃভাষা শিক্ষার গুরুত্বের বিষয় তুলে ধরে বলেন, এতে কালচার সম্পর্কে জানতে সহায়তার পাশাপাশি চাকুরীর ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যায়। তিনি বলেন, প্রথমদিকে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ আমাদের অভিভাবকরাই শুরু করেছিলেন। এর জন্যে কাউন্সিলের সহায়তা অনেক পরে যুক্ত হয়।
কাউন্সিল যাতে বিষয়টি সম্পর্কে এনালাইস করে সিদ্ধান্ত নেয় উচিত উল্লেখ করে আব্দুল হান্নান বলেন, এখানকার কাউন্সিলাররা কমিউনিটির চাহিদা ও দাবী পূরণে অনেকাংশে ব্যর্থ। আগে আমাদের কাউন্সিলাররা কথা বলতে পারতেন। তিনি বিষয়টিতে সবাইকে একাত্ম হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, তিনি বলেন, অন্যান্য বিষয়ের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে আমাদের তরুণদের অধিকারের বিষয়ে কম গুরুত্ব দেয়া উচিত নয়।

টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রথম বাঙালি মেয়র ও সাবেক কাউন্সিলার গোলাম মর্তুজা বাংলা ভাষা আমাদের শক্তির উৎস মন্তব্য করে বলেন, একসময় আমরা বর্ণবাদীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। এখন আমাদের সংগ্রাম হচ্ছে আমাদের ভাষা রক্ষার সংগ্রাম। আমাদের ভাষা হারিয়ে ফেললে আমরা সবকিছু হারাবো।
আমাদের কমিউনিটি ঘুমিয়ে আছে মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, আমাদের কমিউনিটি সবসময় নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়ে আসছে। অতীতে একতাবদ্ধ থাকায় আমরা বর্ণবাদ বিতারণসহ সবসংগ্রামে সফল হয়েছি। এখন সেরকম একতা না থাকার কারণে কাউন্সিল কোনো ধরণের কনসালটেশন না করেই একের পর এক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি মাতৃভাষা রক্ষায় সবাই সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, এই সমস্যা নতুন কোনো বিষয় নয, আমাদের সময়েও কমিউনিটির দাবী-দাওয়া কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ সহজে বাস্তবায়ন করতে চাইতো না। কিন্তু আমরা সংগ্রাম করে আমাদের দাবী-দাওয়া বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতাম।

বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ও সাংবাদিক কেএম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, ৭০ দশকের মধ্যভাগ থেকে শুরু হওয়া কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজের সূচনা কথা উল্লেখ করে বলেন, সেই সূচনা থেকে কোনো কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ তথা নেতৃত্বদানকারীর পক্ষ থেকে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ করার কোনো চিন্তাভাবনা করা হয়নি। মেয়র জন বিগসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন শুধু কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ নয়, একে একে কমিউনিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সব সার্ভিসও ফান্ডিং অপর্যাপ্ততার অজুহাতে বন্ধ করে দিচ্ছে। যার ফলে অনেকগুলো ইয়ূথ সেন্টার ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, কাউন্সিলে সবসময় সব মেয়রের আমলেই ফা- সেইভিংয়ের বিষয়টি ছিলো কিন্তু তাই বলে তারা সেইভ করতে গিয়ে কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস কখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি, কাউন্সিলের ফা- কর্তন হয়েছে অথচ একই সাথে কমিউনিটির জন্য নিজস্ব কবরস্থান এমনকি কাউন্সিলের নিজস্ব টাউন হলের নির্মাণের মতো ব্যয়বহুল প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হয়েছে।

বৃটেন সফররত সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি, কবি ও সাংবাদিক মুহিত চৌধুরী টাওয়ার হ্যামলেটসের বিভিন্ন স্থান ও রাস্তার নামের সাইনবোর্ড বাংলাতে দেখে এবং স্কুলগুলো বাংলা পড়ানো হচ্ছে শুনে গর্ব অনুভবের কথা উল্লেখ করে বলেন, এগুলোর জন্য আমাদের প্রবাসীদের নিরন্তর সংগ্রাম এবং সফলতা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।
কিন্তু এবার এসে টাওয়ার হ্যামলেটসে হঠাৎ করে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ ফা- কর্তনের মাধ্যমে ভাষা চর্চা বিশেষ করে বাংলা ভাষা শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখে আমি খুবই মর্মাহত। তিনি বলেন, যেখানে বিশ্বজুড়ে বিলুপ্তপ্রায় ভাষাকে ধরে রাখার জন্য জাতিসংঘ ও ইউনেস্কোকে ভূমিকা নিতে দেখি সেখানে টাওয়ার হ্যামলেটসে মাতৃভাষা শিক্ষা বন্ধের উদ্যোগ সত্যি দুঃখজন। তিনি বিষয়টিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা কামনা করেন।

বিশিষ্ট সাংবাদিক শামসুল আলম লিটন কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজনের জন্য সাপ্তাহিক সুরমা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টি সম্পর্কে এনালাইসিস করা দরকার যাতে এতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়। কাউন্সিল স্থানীয় অধিবাসীদের আশা-আকাক্সক্ষা অনুধাবনে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করে বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের জন্য বিষয়টি একটি চ্যালেঞ্জ। আমরা দেখতে চাই, এই চ্যালেঞ্জে টোরি সরকারের নীতেকে সমর্থন করে নাকি স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদার প্রতি গুরুত্বারোপ করে এবং বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়। রি-মডেলিং এর নামে কর্তন নয়, আমরা সত্যিকারের মাল্টিল্যাংগুয়েল বারা হিসেবে টাওয়ার হ্যামলেটসকে দেখতে চাই। আশাকরি এতে কাউন্সিল ব্যর্থ হবে না।

লেবার পার্টির রাজনৈতিক ও কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আফসানা বেগম কাউন্সিলের সিএলএস এর সম্ভাব্য ফা-িং কর্তনের ফলে শুধু বাংলা ভাষাভাষিরাই নন অন্যান্য কমিউনিটির লোকজনও যে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সেটি মোটামুটি একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। উপস্থিত মেয়রকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যদিও যে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কনসালটেশন করার জন্য কাউন্সিল একান্ত বাধ্য না হলেও কমিউনিটির মানুষের উদ্বেগ ও দাবীর প্রেক্ষিতে এব্যাপারে কনসালটেশন এবং বিষয়টিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তা পুনঃবিবেচনার আহবান জানান।
ল-ন বাংলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ জুবায়ের কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ বিষয়ে তাঁর নির্মিত একটি ডকুমেন্টারির উল্লেখ্য করে বলেন, স্কুলগুলোতে ভাষা পছন্দের ক্ষেত্রে বাংলাকে রাখাই হয়নি। কাউন্সিল চাইলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত ফা- থেকে কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির ব্যয় নির্বাহের বিষয়টি সমাধান করতে পারে। তাছাড়া আফটার স্কুল চালু থাকলে বাচ্চাদের সামাজিকভাবে সময় কাটানোরও একটি সুযোগ থাকে। তিনি বলেন, একজন নির্বাহী মেয়রের জন্য এই সামান্য অংকের বাজেট সামাল দেয়া কোনো সমস্যাই নয়।
সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ বলেন, এটি আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। এই লড়াইয়ে কমিউনিটির সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কাউন্সিল যাতে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ দাবীকে কোনো অজুহাতে পাশ কাটিয়ে যেতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সাপ্তাহিক সুরমার সাবেক সম্পাদক কবি আহমদ ময়েজ বলেন, বিষয়টিতে সবাইকে সজাগ ও সংযুক্ত করার লক্ষ্যে সভা-সমাবেশ করার পাশাপাশি আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তথা মসজিদগুলো ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এর সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। বিশেষ করে আমাদের মসজিদগুলোতে ইমাম সাহেবদের খুতবায় বিষয়টি গুরুত¦সহকারে তুলে ধরতে হবে।
চ্যানেল এস‘র হেড অব নিউজ কামাল মেহেদী অনলাইন স্বাক্ষর ক্যাম্পেইনকে আরো জোরদার করার আহবান জানিয়ে বলেন, প্রায় সবকটি সভায় বারার নির্বাহী মেয়র উপস্থিত হতে দেখি অথচ মাত্র ৬শ হাজার পাউ-ের জন্য কমিউনিটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিসটি যে বন্ধ করা হবে না কেন তিনি কমিউনিটিকে সে ব্যাপারে আশ্বস্থ করতে পারছেন না বা কোনো ঘোষণা দিতে পারছেন না সেটি বোধগম্য নয়।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশী টিচার্স এসোসিয়েশনের ট্রেজারার মিসবাহ কামাল, এনটিভির সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার নাজমুল হোসাইন, চ্যানেল এস‘র সিনিয়র রিপোর্টর ইব্রাহিম খলীল, অনলাইন পোর্টাল ওয়ানবাংলার সম্পাদক জাকির হোসেন কয়েস ও নারী এশিয়ান ম্যাগাজিনের সম্পাদক কবি শাহনাজ সুলতানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সারওয়ার-ই আলম, এলবিটিভির কর্ণধার শাহ ইউসুফ, সাপ্তাহিক সুরমার বার্তা সম্পাদক আবদুল কাইয়ূম এবং এলবিটিভির আলাউর রহমান শাহীন ও মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ।
পুরো অনুষ্ঠানটি এলবিটিভির সৌজন্যে লাইভ সম্প্রচার করা হয়।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: