Monday, 23 January, 2017 | ১০ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কোম্পানীগঞ্জে টিলা ধসে নিহত ২  » «   আরিফের বাসায় আসাদ: রাজনৈতিক সৌহার্দ না অন্য কিছু  » «   একটি সাঁকো, আট গ্রামবাসীরদুর্ভোগ!  » «   বাসা দখল করতে গিয়ে আটক ছাত্রলীগ নেতা আলীকে বহিষ্কার  » «   সাংবাদিক নাজমুলের মুক্তি দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন  » «   মেয়র হীন সিলেট সিটি করপোরেশন আর কত দিন  » «   জকিগঞ্জ সীমান্তে ১৭ বাংলাদেশীকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে  » «   আখেরি মোনাজাতে মানুষের ঢল  » «   চুনারুঘাটে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সিলেটের দ্বিবার্ষিকী সম্মেলন সম্পন্ন  » «   ছাত্রলীগ নেতা আলী গ্রেফতার  » «   নগরীর ‘খামখা ওভার ব্রিজ’ জলে গেল দেড় কোটি টাকা  » «   নদী যখন মেঠোপথ!  » «   জকিগঞ্জে প্রবাসীর ছেলেকে কুপিয়ে জখম  » «   দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্কাউট সমাবেশের সম্পন্ন  » «  





পেঁয়াজের কেজি ৮ টাকা!

onion__15171দৈনিকসিলেটডেস্ক: গত কয়েকদিনের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে কেজিতে দাম কমে এখন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকায়। গত এক সপ্তায় এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার মেট্রিকটন পেঁয়াজ।

ব্যবসায়ীরা বলছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বেশি করে পেঁয়াজ আমদানি করেছে বন্দরের ৩০ জন ব্যবসায়ী। এখন বন্দরে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম অনেক কমে গেছে। সময়মত বাজারজাত করতে না পারায় ইতোমধ্যে পেঁয়াজে পচন ধরেছে। একারণে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

বন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্ট লিংক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে ৬৮০টি পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক দেশে আসে। তাতে আমদানি হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার মেট্রিকটন পেঁয়াজ। আবার গত তিন মাসের হিসেব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগস্ট মাসে আমদানি করা হয়েছে ১ হাজার ৭৫৮টি ট্রাকে ৩৬ হাজার মেট্রিকটন পেঁয়াজ। আর জুলাই মাসে ১ হাজার ৩০৪টি ট্রাকে ২৫ হাজার ৭০৫ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।

বন্দরের আড়তদাররা জানান, এক সপ্তাহ আগেও মানভেদে পাইকারি হিসেবে ১৪-১৭ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হয়েছে পেঁয়াজ। কিন্তু এখন আমদানি বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজ মানভেদে ৮ টাকা থেকে ১০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

স্থানীয় আমদানিকারক এনামুল হক চৌধুরী ও মমিনুল ইসলাম মমিন বলেন, ভারত থেকে এক কেজি পেঁয়াজ আমদানি করতে খরচ হয় ১৩-১৪ টাকা। এই পেঁয়াজ পাইকারি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে ৮-১০ টাকায়। কেজিতে ৫-৬ টাকা লোকসানে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে পথে বসা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

হিলি বাজারের আড়তদার শাহাবুল ইসলাম জানান, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমে বর্তমানে ১০ টাকায় নেমেছে। আবার কখনো আরও কম দামে কিনছেন ক্রেতারা। গত কয়েকদিনে ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ৮-১০দিন আগেও এই পেঁয়াজ ১৪-১৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। দেশি পেঁয়াজ ৩২-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানি হতো, স্থানীয় কিছু সমস্যার কারণে তার অধিকাংশ পণ্য আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এখন সেসব ব্যবসায়ীরা ঝুঁকে পড়েছে পেঁয়াজ আমদানিতে। একারণে পেঁয়াজের এই দুরাবস্তা।

বন্দরের কয়েকটি আড়ত ঘুরে জানা গেছে, আমদানি করা ভারতের নাসিক, ভেলোর, ইন্ডোর, রাজস্থান, পাটনা থেকে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। গুদামগুলোতে পেঁয়াজে ঠাসা। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা ৮-১০ টাকা, একটু ভালো মানের ১১ টাকা দরে কিনছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Developed by: