Add IUS

Thursday, 30 March, 2017 | ১৬ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
সুনামগঞ্জ-২ ও কুসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে  » «   সুনামগঞ্জ-২ আসনের উপনির্বাচন আজ  » «   মৌলভীবাজারে চলছে ‘অপারেশন হিট ব্যাক’  » «   নিহত নারী জঙ্গির লাশ শনাক্ত হয়নি  » «   মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু,গুলির শব্দ  » «   সোয়াত টিম মৌলভীবাজারে এসে পৌঁছেছে  » «   জঙ্গি ইস্যু নিয়ে যা বললেন সায়রা মহসীন  » «   মৌলভীবাজারের দুই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি  » «   ‘মৌলভীবাজারে জঙ্গি অভিযানে প্রয়োজনে নামানো হবে সেনাবাহিনী’  » «   মৌলভীবাজারে ২ আস্তানায় এক ডজন জঙ্গি!  » «   মৌলভীবাজারে দুটি জঙ্গি আস্তানা ঘিরে পুলিশ, গুলি-বিস্ফোরণ  » «   সেতু না থাকায় বাঘা, বাদেপাশা-শরিফগঞ্জবাষীর সীমাহীন দূর্ভোগ  » «   এবার সবার নজর দিরাই-শাল্লার দিকে  » «   ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ সমাপ্ত ঘোষণা  » «   আতিয়া মহল পুলিশের কাছে হস্তান্তর  » «  





‘রিজার্ভের দেড় কোটি ডলার দু-একদিনের মধ্যে ফেরত পাচ্ছি’

fmদৈনিকসিলেটডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ১৫ মিলিয়ন ডলার (১২০ কোটি টাকা) দু-একদিনের মধ্যে ফেরত পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এই অর্থ সম্ভবত আমরা পেয়ে গেছি অথবা আগামী দু-একদিনের মধ্যে পেয়ে যাব। এখন নিশ্চিত করে বলা যায়, চুরি যাওয়া অর্থের একটি অংশ আমরা পাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘চুরি যাওয়া রিজার্ভের অর্থ যেসব দেশে আছে, তা যদি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে আমরা তা সহজেই পাব।’

চুরি হওয়া অর্থের কতটুকু ব্যাংকিং চ্যানেলে আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি হওয়া যে অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে, তা ফেরত দিতে গত সোমবার নির্দেশ দিয়েছে ফিলিপাইনের একটি আদালত। এই অঙ্কের পরিমাণ ১৫ মিলিয়ন বা দেড় কোটি ডলার (১২০ কোটি টাকা)। গত ফেব্রুয়ারিতে নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকে নেওয়া হয়।

এই অর্থের অধিকাংশ জুয়ার টেবিলে চলে গেলেও তার মধ্যে দেড় কোটি ডলার ফিলিপাইনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার করেছে। ওই অর্থ বাংলাদেশকে ফেরত দিতে সোমবার ফিলিপাইনের আদালত নির্দেশ দিয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। এই খবর আসার পর ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে লোপাট হওয়া অর্থের পুরোটা পাওয়ার আশা প্রকাশ করা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোকাম্মেল হক বলেন, ‘ফিলিপাইনের রিজিওনাল ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইতিপূর্বে বাজেয়াপ্ত ও ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত ৪৬৩ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪৮৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন পেসো (সব মিলিয়ে দেড় কোটি ডলার) বাংলাদেশের অনুকূলে অবমুক্ত করার আদেশ জারি করেছেন।’

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ সরানো হয়েছিল ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংক করপোরেশনে (আরসিবিসি)। ওই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হলে ফিলিপাইন সরকার তৎপর হয়। দেড় কোটি ডলারের সন্ধান মেলার পর তা জব্দ করে তারা। তা রাখা হয় ফিলিপাইনের বিচার বিভাগের তত্ত্বাবধানে। এরপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওই অর্থের মালিকানা দাবি করে ফিলিপাইনের আদালতে আবেদন করা হয়।

আদালত থেকে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকো সেন্ট্রাল ন ফিলিপিনাসকে (বিসিপি) এই অর্থ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এই অর্থ এখন বিসিপির ভল্টে আছে।

গত মে মাসে ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির তদন্তের সময় এক ‘ক্যাসিনো জাংকেট’এই দেড় কোটি ডলার ফেরত দেন। যদিও তার জুয়ার আখড়ায় বাংলাদেশের রিজার্ভের সাড়ে ৩ কোটি ডলার গিয়েছিল বলে মনে করা হয়। ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের বাকি অর্থ কোথায় গেছে, তার হদিস এখনো মেলেনি।

ফিলিপাইন সরকার জুয়ার আখড়ার আরো আড়াই কোটি ডলার জব্দ করেছে, ওই অর্থের দাবি বাংলাদেশ করলেও তার সুরাহা এখনো হয়নি।

অবশিষ্ট অর্থ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে, এ কথা জানিয়ে মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আশা করা যায়, চুরি হওয়া সম্পূর্ণ অর্থ অচিরেই বাংলাদেশ আদায় করতে সমর্থ হবে।’

ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বলে জানান তিনি।

Developed by: