Monday, 23 January, 2017 | ১০ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
কোম্পানীগঞ্জে টিলা ধসে নিহত ২  » «   আরিফের বাসায় আসাদ: রাজনৈতিক সৌহার্দ না অন্য কিছু  » «   একটি সাঁকো, আট গ্রামবাসীরদুর্ভোগ!  » «   বাসা দখল করতে গিয়ে আটক ছাত্রলীগ নেতা আলীকে বহিষ্কার  » «   সাংবাদিক নাজমুলের মুক্তি দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন  » «   মেয়র হীন সিলেট সিটি করপোরেশন আর কত দিন  » «   জকিগঞ্জ সীমান্তে ১৭ বাংলাদেশীকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে  » «   আখেরি মোনাজাতে মানুষের ঢল  » «   চুনারুঘাটে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সিলেটের দ্বিবার্ষিকী সম্মেলন সম্পন্ন  » «   ছাত্রলীগ নেতা আলী গ্রেফতার  » «   নগরীর ‘খামখা ওভার ব্রিজ’ জলে গেল দেড় কোটি টাকা  » «   নদী যখন মেঠোপথ!  » «   জকিগঞ্জে প্রবাসীর ছেলেকে কুপিয়ে জখম  » «   দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্কাউট সমাবেশের সম্পন্ন  » «  





নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবে পদ নিয়ে জটিলতার অবসান

w1নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক দাবি করে দায়ের করা স্বত্ব মামলাটি বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। বিবাদী সভাপতি ফখরুল আহসান চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক এম,এ আহমদ আজাদ কে বৈধ কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক ছিলেন উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতের এ রায়ের ফলে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা ও ধু¤্রঝালের অবসান হয়েছে। কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে প্রান চঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে। জানাযায়, ২০১২ সালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ঐক্যবদ্ধ কমিটি করা হয়। তখন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ নবীগঞ্জের সাংবাদিকদের ঐক্যের স্বার্থে এক সঙ্গে এক বছর মেয়াদে দুটি কমিটি ঘোষনা করেন। ২০১২ সালের কমিটির সভাপতি করা হয় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মিঠু ও সম্পাদক করা হয় সাংবাদিক এম,এ বাছিত কে। ২০১৩ সালের কমিটির সভাপতি করা হয় সাংবাদিক ফখরুল আহসান চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক করা হয় সাংবাদিক এম,এ আহমদ আজাদ কে। প্রথম কমিটি দায়িত্ব নিয়ে স্বরনিকা প্রকাশের পাশাপাশি একটি অভিষেক অনুষ্ঠান করেন।এর সাথে একটি লিখিত গঠনতন্ত্র প্রনয়ন করা হয়। উক্ত গঠন তন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পরবর্তী নতুন কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবার বিধান রাখা হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারীর প্রথম তারিখে ২০১২ সালের কমিটি নতুন কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিলে জটিলতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে আবারো হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ফজলুর রহমান, সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ নাহিজ, ও নির্মল ভট্রাচার্য্য রিংকু গংরা উদ্যোগ গ্রহন করেন। কিন্তু ২০১২ সালের সাধারন সম্পাদক এম,এ বাছিত প্রেসক্লাবের রেজুলেশন খাতা ও হিসাব নিকাশ হাজির না করে তিনি বিষয়টি কণ্ঠ ভোটে দেবার আহবান জানান। পরে এনিয়ে প্রকাশ্য কণ্ঠ ভোট হলে ২০১৩ সালের মনোনীত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক বিজয়ী হন। এর পরেও তিনি রেজুলেশন খাতা ও প্রেসক্লাবের হিসাব নিকাশ হাজির করেননি। পরে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ নতুন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পুনাঙ্গ নতুন কমিটি ঘোষনা করেন। পরবর্তী ২০১২ সালের সাধারন সম্পাদক এম,এ বাছিত একটি রেজুলেশন দেখিয়ে গঠনতন্ত্র নীতিমালা বর্হিভূত ভাবে দৈনিক বিবিয়ানার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম চৌধুর কে সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রামের শাহ সুলতান আহমদকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা করেন এবং শাহ সুলতান আহমদ নিজেদের বৈধ কমিটির সভাপতি/ সম্পাদক দাবি করে ২০১৩ সালের কমিটি সভাপতি করা হয় সাংবাদিক ফখরুল আহসান চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক করা হয় সাংবাদিক এম,এ আহমদ আজাদ কে বিবাদী করে হবিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে ৮৮ নং স্বত্ব মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ৪ বছর আদালতে স্বত্ব মামলাটি চলার পর গত ৩/৮/২০১৬ রায় ঘোষনা করেন। রায়ে মামলাটি যথাযথভাবে চলিতে পারে না মর্মে খারিজ করেন। ২০১৩ সালের কমিটির সভাপতি ফখরুল আহসান চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক এম,এ আহমদ আজাদ কে সঠিক বলে মতামত দেন। র্দীঘ ৪ বছর আদালতে মামলাটি চললেও ২০১২ সালের সাধারন সম্পাদক এম,এ বাছিত প্রেসক্লাবের রেজুলেশন খাতা ও হিসাব নিকাশ হাজির করেননি। তার এই মনগড়া কার্যক্রমে সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এদিকে আদালতের রায়ে প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেছেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Developed by: