Monday, 16 October, 2017 | ১ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
মেয়রের নির্দেশে নামাজের সময় দোকানপাট বন্ধ  » «   ভূটানের রাষ্ট্রদূতের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগকর্মী খুন  » «   নগরীর ফুটপাত দখলদারের তালিকা আদালতে জমা দিলেন মেয়র  » «   গোয়াইনঘাটে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৪  » «   বড়লেখায় এক রশিতে প্রেমিক-প্রেমিকার ঝুলন্ত মরদেহ  » «   ‘মেহেদী কাবুল একজন দক্ষ সংগঠক’  » «   আম্বরখানায় ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা  » «   জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন: সিইসি  » «   বিরল রোগে আক্রান্ত নবীগঞ্জের তাহমিনা বাঁচতে চায়  » «   দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদেরকে নিরাপদে পথ চলার ব্যবস্থা করতে হবে:জেলা প্রশাসক  » «   নগরীর মধুশহিদ এলাকায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ  » «   রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে এ কি বললেন মিয়ানমারের মন্ত্রী!  » «   এক জেলায় ৮ নারী ইউএনও  » «   ইসলামের পথে পাকিস্তানি অভিনেত্রী  » «  
Advertisement
Advertisement

সাবেক পুত্রবধু পিয়াসা এ কী বললেন?

দৈনিকসিলেটডেস্ক:স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ী দিলদার আহমেদ সেলিমের বড় ছেলে সাফাত আহমেদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী সম্ভ্রমহানীর অভিযোগ ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ঘটনার পুরো দায় সাবেক পুত্রবধু পিয়াসার ওপর চাপিয়েছেন।

দিলদার আহমেদের এমন মন্তব্যের বিষয়ে তার সাবেক পূত্রবধু ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা লেন, ‘দিলদার আহমেদ সেলিম একটা প্রথম সারির লম্পট। এখন তার ৫৪ বছর বয়স। কিন্তু নারী লিপ্সা থেকে তিনি পিছু হটছেন না। এক প্রশ্নের উত্তরে পিয়াসা বলেন, মূলত তার লাম্পট্যের কারণেই সাফাত নষ্ট হয়েছে। বাপ হয়ে ছেলের চরিত্র নষ্ট করেছেন তিনি।’

পিয়াসা বলেন, ‘কয়েকটি ঘটনার

উল্লেখ করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন দিলদার আসলে কেমন চরিত্রের মানুষ। আমি তখন ওই বাড়ির বউ। একদিন ফোন এলো সাফাতের বাবাকে গুলশানের একটি পাঁচতারকা হোটেলের কর্মচারীরা মারধর করছে। একথা শুনে সাফাত হোটেলে যায়। গিয়ে দেখে ঘটনা ভিন্ন। মদপান করে মাতাল অবস্থায় এক নারীকে তুলে নিতে চাইছিলেন সেলিম। এ নিয়ে হোটেল কর্মচারীদের সঙ্গে তার তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে হোটেলে আটকে রাখে। পরে সাফাত ক্ষমা চেয়ে তার বাবাকে ছাড়িয়ে আনে।’

সেলিমের পরিবারিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তার সাবেক পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা বলেন, ‘তার মাতলামির কথা বলে শেষ করা যাবে না। এসব কারণে বড় ছেলে তো নষ্ট হয়েছেই, এখন ছোট ছেলে ইফাতও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ছেলের বন্ধু হলেও নাঈমকে (দুই নম্বর আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে হালিম) দিয়ে তিনি শোবিজের উঠতি মডেলদের ভাড়া করতেন। অনেক মডেলকে নিয়ে তিনি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেও গেছেন। বাবাকে দেখে তার ছেলেও এসবই শিখেছে। সাফাতও আপন জুয়েলার্সের মডেলদের নিয়ে বিদেশে যাওয়া শুরু করেছে। কিছুদিন আগে সে একজন আলোচিত মডেল নিয়ে ভারতে যায়। ওই মডেলের সঙ্গে সাফাতের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে।’সুত্র:এমটিনিউজ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
দৈনিক সিলেট ডট কম
২০১১

উপদেষ্টা: ড.এ কে আব্দুল মোমেন
সম্পাদক: মুহিত চৌধুরী
অফিস: ২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজার সিলেট
মোবাইল : ০১৭১ ২২ ৪৭ ৯০০,  Email: dainiksylhet@gmail.com

Developed by: