Saturday, 24 June, 2017 | ১০ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমায় ৪ জুয়াড়ি আটক  » «   গোলাপগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা  » «   সিলেটে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবসে জেলা প্রশাসকের র‌্যালী ও আলোচনা  » «   সিলেটে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন  » «   সিলেটের ডাক বন্ধে অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্বেগ  » «   বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরে পানিবন্দি দুই লক্ষাধিক মানুষ  » «   গৌরবের ৬৯ বছরে আওয়ামী লীগ  » «   মানে নয়, নামেই গলা কাটছে আড়ং  » «   রথযাত্রা উপলক্ষে সিসিকের ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান  » «   সিলেটে পৃথক অভিযানে ছিনতাইকারীসহ ৯ জুয়াড়ি আটক  » «   পবিত্র শবে কদর আজ  » «   ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেট আওয়ামী লীগের কর্মসূচী  » «   বিশ্বনাথে নিহত মকরমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম  » «   সমালোচিত অর্থমন্ত্রীর পক্ষ নিলেন তোফায়েল  » «   ঈদকে ঘিরে সিলেটে তিন স্তরের নিরাপত্তা  » «  
Advertisement
Advertisement

সাবেক পুত্রবধু পিয়াসা এ কী বললেন?

দৈনিকসিলেটডেস্ক:স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ী দিলদার আহমেদ সেলিমের বড় ছেলে সাফাত আহমেদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী সম্ভ্রমহানীর অভিযোগ ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ঘটনার পুরো দায় সাবেক পুত্রবধু পিয়াসার ওপর চাপিয়েছেন।

দিলদার আহমেদের এমন মন্তব্যের বিষয়ে তার সাবেক পূত্রবধু ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা লেন, ‘দিলদার আহমেদ সেলিম একটা প্রথম সারির লম্পট। এখন তার ৫৪ বছর বয়স। কিন্তু নারী লিপ্সা থেকে তিনি পিছু হটছেন না। এক প্রশ্নের উত্তরে পিয়াসা বলেন, মূলত তার লাম্পট্যের কারণেই সাফাত নষ্ট হয়েছে। বাপ হয়ে ছেলের চরিত্র নষ্ট করেছেন তিনি।’

পিয়াসা বলেন, ‘কয়েকটি ঘটনার

উল্লেখ করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন দিলদার আসলে কেমন চরিত্রের মানুষ। আমি তখন ওই বাড়ির বউ। একদিন ফোন এলো সাফাতের বাবাকে গুলশানের একটি পাঁচতারকা হোটেলের কর্মচারীরা মারধর করছে। একথা শুনে সাফাত হোটেলে যায়। গিয়ে দেখে ঘটনা ভিন্ন। মদপান করে মাতাল অবস্থায় এক নারীকে তুলে নিতে চাইছিলেন সেলিম। এ নিয়ে হোটেল কর্মচারীদের সঙ্গে তার তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে হোটেলে আটকে রাখে। পরে সাফাত ক্ষমা চেয়ে তার বাবাকে ছাড়িয়ে আনে।’

সেলিমের পরিবারিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তার সাবেক পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা বলেন, ‘তার মাতলামির কথা বলে শেষ করা যাবে না। এসব কারণে বড় ছেলে তো নষ্ট হয়েছেই, এখন ছোট ছেলে ইফাতও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ছেলের বন্ধু হলেও নাঈমকে (দুই নম্বর আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে হালিম) দিয়ে তিনি শোবিজের উঠতি মডেলদের ভাড়া করতেন। অনেক মডেলকে নিয়ে তিনি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেও গেছেন। বাবাকে দেখে তার ছেলেও এসবই শিখেছে। সাফাতও আপন জুয়েলার্সের মডেলদের নিয়ে বিদেশে যাওয়া শুরু করেছে। কিছুদিন আগে সে একজন আলোচিত মডেল নিয়ে ভারতে যায়। ওই মডেলের সঙ্গে সাফাতের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে।’সুত্র:এমটিনিউজ

Developed by: