Saturday, 24 June, 2017 | ১০ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সংবাদ শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমায় ৪ জুয়াড়ি আটক  » «   গোলাপগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা  » «   সিলেটে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবসে জেলা প্রশাসকের র‌্যালী ও আলোচনা  » «   সিলেটে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন  » «   সিলেটের ডাক বন্ধে অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্বেগ  » «   বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরে পানিবন্দি দুই লক্ষাধিক মানুষ  » «   গৌরবের ৬৯ বছরে আওয়ামী লীগ  » «   মানে নয়, নামেই গলা কাটছে আড়ং  » «   রথযাত্রা উপলক্ষে সিসিকের ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান  » «   সিলেটে পৃথক অভিযানে ছিনতাইকারীসহ ৯ জুয়াড়ি আটক  » «   পবিত্র শবে কদর আজ  » «   ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেট আওয়ামী লীগের কর্মসূচী  » «   বিশ্বনাথে নিহত মকরমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম  » «   সমালোচিত অর্থমন্ত্রীর পক্ষ নিলেন তোফায়েল  » «   ঈদকে ঘিরে সিলেটে তিন স্তরের নিরাপত্তা  » «  
Advertisement
Advertisement

হার্ট অ্যাটাকের ইনজেকশন এখন বিনামূল্যে

দৈনিকসিলেটডেস্ক:কারো হার্ট অ্যাটাকের পর ধমনীতে জমাট রক্ত গলিয়ে দিতে বিশেষ ইনজেকশন দিতে হয় যার নাম স্ট্রেপটোকাইনেজ। হার্ট অ্যটাকের কারণে জমাটবদ্ধ রক্ত তরল করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে হার্টকে সচল করতে এটি বেশ কার্যকর। এর বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি হলো প্রাইমারি পিসিআই। হার্ট অ্যাটাকের পর শিরাপথে স্ট্রেপটোকাইনেজ যত দ্রুত দেওয়া সম্ভব হবে রোগীর হার্টের পেশী ক্ষতি হওয়া থেকে তত রক্ষা পাবে। আগে এই ওষুধ বাইরে থেকে ৫/৬ হাজার টাকায় কিনতে হয়। তবে এখন থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) হার্ট অ্যাটাকের রোগীরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন জরুরি জীবন রক্ষাকারী এ ওষুধ।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক আফজালুর রহমান জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে ইনজেকশনটি মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা কিনতে পারলেও গরিব-অসহায় রোগীদের জন্য বিরাট বোঝা। মূলত তাদের কথা বিবেচনা করে হাসপাতালের নিজস্ব বরাদ্দ থেকে সম্প্রতি কেনা হয়েছে এই ওষুধ।

তিনি জানান, হাসপাতালের ভেতরে বিনামূল্যে এটি প্রয়োগ করতে প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করে বলা হয়েছে, এখন থেকে কোনো নার্স বা চিকিৎসক রোগীদের দিয়ে বাইরে থেকে এটি কিনে আনার পরামর্শ দিলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাসপাতালের পরিচালক আরো জানান, হার্টের রোগীদের উন্নত সেবা দিতে ও বিড়ম্বনা কমাতে গত জানুয়ারিতে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই জরুরি বিভাগে ইকোকার্ডিওগ্রাম মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসিজি, কার্ডিয়াক মনিটর, ডি-ফেব্রিলেটর ইত্যাদি যন্ত্র বসিয়ে জরুরী বিভাগকে একটা মিনি সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পরিণত করা হয়েছে।

Developed by: