
ভোলাগঞ্জ-বিছনাকান্দি-জাফলং পাথর কোয়ারী সনাতন পদ্ধতিতে খাস কালেকশনের মাধ্যমে খুলে দিতে মহামান্য হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। এ রায় দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পাথর শ্রমিক বাঁচাও আন্দোলন জোর দাবি জানিয়েছেন।
সোম ও মঙ্গলবার (১৮ ও ১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী, এনডিসি, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সাথে পাথর শ্রমিক বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পৃথক পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, পাথর শ্রমিক বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহবায়ক সাংবাদিক আবুল হোসেন, আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা জুলহাস উদ্দিন শিকদার, গনঅধিকার পরিষদ সিলেটের সভাপতি নাঈম লস্কর, সিলেট জেলা ট্রাক মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজির আহমদ স্বপন, কোষাধ্যক্ষ জুলহাস আহমদ বাদল, সিলেট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, কোষাধ্যক্ষ সোহেল আহমদ, আন্দোলনের সদস্য সচিব সৈয়দ ফখরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আব্দুর রহিম ও জহিরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুমন মিয়া, গোয়াইনঘাট পাথর উত্তোলন ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক এড, মশাহিদ আল মামুন, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন জৈন্তাপুর উপজেলার সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ, সালুটিকর শাখার সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, কানাইঘাটের সদস্য সচিব আক্তার হোসেন, শ্রমিক নেতা ও বারকি বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক ফয়জুল ইসলাম, সুরুজ আলী, ইয়াছিন আলী, রফিক আহমদ, সাঈদুর রহমান, যুবনেতা শাহাদত হোসেন সহ ২৫জন নেতাকর্মী।
এদিকে, রোববার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার এম সাইফুর রহমান সেতুর (ধলাই সেতু) র্প্বূ পাড়ে পাথর শ্রমিক বাঁচাও আন্দোলনের ব্যানারে হাইকোর্টের রায় দ্রæত বাস্তবায়ন, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ, কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাটের ইউএনও’র অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও ভুখা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী তজই মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মিলনের পরিচালনায় মানববন্ধন ও ভুখা মিছিলের পূর্বে বক্তব্য রাখেন, আন্দোলনের আহবায়ক সাংবাদিক আবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আন্দোলনের সদস্য সচিব সৈয়দ ফখরুল ইসলাম, যুুগ্ম আহবায়ক জহিরুল ইসলাম,বিএনপি নেতা সুলেমান তালুকদার, যুবনেতা ইয়াছিন আলী, শ্রমিক নেতা ফয়জুল ইসলাম, সুরুজ আলী, কালা মিয়া, ইমাম উদ্দিন, আব্দুল হাসিম, যুবনেতা শাহাদত হোসেন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট ২০ লক্ষাধিক শ্রমিক ও ২০ সহ¯্রাধিক ব্যবসায়ীদের দুঃখ, দুর্দশা ও মানবেতর জীবনযাপনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। তারা অবিলম্বে কর্মহীন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কর্মসংস্থানে ফিরিয়ে নিতে ভোলাগঞ্জ-বিছনাকান্দি-জাফলং পাথর কোয়ারী উন্মুক্ত করতে দ্রত হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের পাথর উত্তোলন গাইডলাইন অনুযায়ী ম্যানুয়্যাল পদ্ধতিতে সিলেটের সকল পাথর কোয়ারী সচলের দাবি জানান। পাশাপাশি শ্রমিক নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাটের ইউএনও দের তিনদিনের মধ্যে অপসারণের দাবি জানান।