পাথর মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে শাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল

চাঁদার দিতে অস্বীকার করায় পাথর মেরে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ীকে নৃশংস হ’ত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু হল প্রদক্ষিণ করে পূণরায় একই জায়গায় গিয়ে শেষ হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক পলাশ বখতিয়ার বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ যেভাবে লাশের উপর নৃত্য করেছিল, একই কায়দায় এবার বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদল সেই ইতিহাস পুনরাবৃত্তি করেছে। আমরা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চাই—আপনারা এই প্রজন্মকে ভুল বুঝেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে আপনারা যেভাবে হত্যা ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন, তার জন্য ৩ কোটি তরুণ ভোটার আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা বারবার বলছেন, দিনের আলোর মতো পরিষ্কার বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু এই ধরণের বর্বরতা চালিয়ে সেই সুযোগ আপনাদের দেওয়া হবে না। তৃণমূলের অপরাধী নেতাকর্মীদের শুদ্ধ করতে না পারলে বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। আমরা ইন্টারিম সরকারের কাছে আহ্বান জানাই—এই খুনিদের দ্রুত বিচার করে ফাঁসির আওতায় আনা হোক।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বলেন, “সারাদেশের ১০০ শতাংশ অপরাধের মধ্যে ৯৫ শতাংশই একটি নির্দিষ্ট দলের। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না, বরং ‘বহিষ্কারের নাটক’ দেখানো হচ্ছে। মিটফোর্ডের হত্যাকাণ্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয় আওয়ামী লীগের ২০০৬ সালের লগি-বইঠা তাণ্ডব।”
তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; যুবদলের অনেক গুণ, পাথর মেরে সোহাগ খুন; যুবদলের চাঁদাবাজরা, হুঁশিয়ার সাবধান; যুবদলের সন্ত্রাস, রুখে দেবে ছাত্রসমাজ; জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন