বর্জ্য পরিষ্কারে চমক দেখালেন মেয়র আনোয়ারুজ্জামান, রাত ৮টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন নগরী

বর্জ্য পরিষ্কারে চমক দেখালেন সিসিক মেয়র মো: আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। দশ ঘন্টার মধ্যে পুরো নগরী ধুয়ে মুছে ছাপ। নগরীর কোথাও নেই কুরবানীর বর্জ্য কিংবা দুগন্ধ।
সোমবার (১৭ জুন) সকাল থেকে মেয়রের তদারকিতে বর্জ্য অপসারণে কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের ১৬ শ কর্মী। মহানগর এলাকার পশুর হাটসহ প্রায় শতভাগ বর্জ্য পরিষ্কার করা হয়েছে। তবে বেশ কিছু বাজার পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর দৈনিকসিলেটডটকমকে জানান, কুরবানির বর্জ্য পরিষ্কারে মেয়র মহোদয়ের সরাসরি তদারকি করেছেন।
তিনি জানান- ঈদুল আযহার জামাত শেষে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং তাদের সঙ্গে সকালের নাশতা করেন। পরে সিসিকের ১৬ শ কর্মীকে নামানো হয় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে। বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার জন্য প্রথমে মহানগরের নালাগুলো পরিচ্ছন্ন করেন কর্মীরা। পরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে ভাগ করে দেওয়া হয় তাদের।
বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবানুমুক্তকরণে নগরজুড়ে জীবাণুনাশকও ঔষধও ছিটানো ও স্প্রে করা হয়।

২০২৩ সালে ৩২০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কোরবানীর পশুর হাট ও কোরবানীর পশু জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলো সিলেট সিটি করপোরেশন।
নগরবাসী মনে করছেন মেয়র মো: আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর আন্তরিকতার জন্য এবছর অর্ধেক পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন