বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে গণসংযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও জেলা বিএনপির সদস্য মুখলিছুর রহমান। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) নবীগঞ্জের ডুবাঐ বাজারে গণসংযোগকালে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক ও তরুণদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিএনপির উন্নয়নমুখী দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।
এ সময় মুখলিছুর রহমান বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, নবায়নযোগ্য ও মিশ্র জ্বালানি এবং খনিজ খাত আধুনিকায়নের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, ৩১ দফা কর্মসূচি শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, এটি জনগণের অধিকার আদায়ের সনদ।
গণসংযোগকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী এতে অংশ নেন।
অন্যদিকে নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। এর মধ্যে বাহুবলের মিরপুরের দিমুড়া গ্রামের বাসিন্দা মুখলিছুর রহমান ইতিমধ্যে ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে সরব রয়েছেন। উঠান বৈঠক, পথসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে ঐক্য গড়ে তোলায় তার প্রতি সাধারণ মানুষের সাড়া বাড়ছে। রাজনীতিতে মুখলিছুর রহমানের পথচলা শুরু কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের মাধ্যমে। একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের সোহেল-বাবু কমিটিতে সিলেট বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হন। নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ইলিয়াস আলী ও সৈয়দ শাহাদাত গুম হওয়ার পর হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়ে জীবন বাঁচাতে লন্ডনে পাড়ি দেন। সেখানে থেকেও আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখায় বাবু-জুয়েল কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান কমিটিতে এক নম্বর সদস্য করা হয় তাকে।
৫ই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন মুখলিছুর রহমান। তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে কাজ করেছি। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থেকেছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সৎ, যোগ্য, ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। আমি সেই প্রত্যাশায় নবীগঞ্জ-বাহুবলের প্রতিটি এলাকায় মানুষের কাছে যাচ্ছি। আশা করি হাইকমান্ড আমার কাজের মূল্যায়ন করবে।
