- Dainiksylhet.com - https://dainiksylhet.com -

যাত্রীছাউনি ভাঙা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে যাত্রীছাউনি ভাঙা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে হয়েছে। শুক্রবার রাতের এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে একটি রেস্তোরাঁ ভাঙচুর করা হয়।

রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের লালাবাজার এলাকায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

জানা গেছে, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে নর্দমার নির্মাণকাজ চলছে। বাজারের মসজিদের পাশে থাকা একটি যাত্রীছাউনি ভাঙা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ছাউনি ভেঙে নর্দমা নির্মাণের পক্ষে ছিলেন লালাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান চৌধুরী ও তাঁর সমর্থকেরা। আর ছাউনি রেখে কাজ করার পক্ষে বাজারের ব্যবসায়ী ও মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ জুবায়ের আহমদ ও তাঁর পক্ষের লোকজন। জুবায়ের আহমদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হলেও তাঁর কোনো পদপদবি নেই। বাজারে তাঁর ‘পাপড়ি রেস্টুরেন্ট’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমিনুর রহমান ও জুবায়ের আহমদ দুজনই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এ কারণে তাঁদের আগে থেকেই রেষারেষির সম্পর্ক ছিল। গতকাল রাত ৮টার দিকে ছাউনি ভাঙা নিয়ে দুই পক্ষের বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। এ সময় জুবায়ের আহমদের রেস্টুরেন্টটি ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ের। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১১টার দিকে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘যাত্রীছাউনি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এতে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ ঘটনায় শনিবার বেলা আড়াইটা পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন