তৃতীয় ধাপে সিলেটের ১০ উপজেলাসহ ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে।
বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এর মধ্যে ইভিএমের মাধ্যমে ১৬টি। বাকিগুলোতে কাগজের ব্যালটে ভোট নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক ও দোয়ারা বাজার; সিলেট জেলার বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার; মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল; হবিগঞ্জ জেলার লাখাই, সদর ও শায়েস্তাগঞ্জে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বুধবার এই ১০ উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
সিলেটের তিন উপজেলায় ভোটযুদ্ধে লড়ছেন ৪৫ জন প্রার্থী। যাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ভোটের লড়াইয়ে আছেন। এই তিন উপজেলার ৩ লাখ ২৩ হাজার ভোটার ১৪০ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
ভোটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য মাঠে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থায় নিয়েছে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ। নির্বাচনী আচরণি বিধি প্রতিপালনের জন্য মাঠে রয়েছে ইউনিয়ন প্রতি একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
ইসি জানিয়েছে, এই ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ২২ উপজেলার ভোট স্থগিত হয়েছে। পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার তিন পদের সবাই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ায় সেখানে ভোট হচ্ছে না। বাকিগুলোতে নানা জটিলতায় ভোট হচ্ছে না। সবমিলিয়ে এই ধাপে ৮৭ উপজেলায় আজ ভোট হচ্ছে।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপে মোট ১ হাজার ১৫২ জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩৯৭, ভাইস চেয়ারম্যান ৪৫৬ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯৯ জন।
তৃতীয় ধাপে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, আগের মতোই ভালো প্রস্তুতি আছে। আমাদের কঠোর নির্দেশ যে ভোটার যদি একজন আসে কোনো কেন্দ্রে ওই একটি ভোটই হবে। দুইটা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। ভোট বাড়ানো বা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এ কাজ করে এবং তা যদি প্রমাণ হয়, তার বিরুদ্ধে আমরা কঠিন ব্যবস্থা নেব।