বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নাশকতা মামলায় সিলেটে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার রাতে বন্দরবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সেলিম মিয়া সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা লীগের সহ-সভাপতি।
গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার সিনিয়র এএসপি মশিউর রহমান সোহেল জানান, সাংবাদিক তুরাব হত্যা মামলার আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
সাংবাদিক আবু তুরাব গত ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজার এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। তিনি দৈনিক নয়াদিগন্ত এবং জালালাবাদের প্রতিবেদক ছিলেন। ঘটনার এক মাস পর ১৯ আগস্ট তুরাবের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে। এছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ মোট ১৮ জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয় ২০০-২৫০ জনকে।
এ মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. সাদেক দস্তগীর কাউসার, উপকমিশনার আজবাহার আলী শেখ, সহকারী কমিশনার মিজানুর রহমান, সিলেট কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও পুলিশ কর্মকর্তা। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি সিলেট কোতোয়ালির নাশকতা মামলার এজহারনামীয় আসামি।