নবীগঞ্জ শহরে সম্প্রতি দফায় দফায় একাধিক সংঘর্ষের জের ধরে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, বেসরকারী হাসপাতাল ও যানবাহনে ভাঙচুর- লুটপাট এবং ট্রাক, বাস , সিএনজি, ভাংচুর, দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ, এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছিল বিগত ৪ দিন যাবৎ। ভাঙচুর ও লুটপাটে অন্তত কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এর জের ধরে ৭ জুলাই সোমবার সকালে আনমনু ও তিমিরপুর গ্রামের লোকজন পুর্ব ঘোষনা দিয়ে নিজ নিজ এলাকায় পুর্ব প্রস্তুতিমুলক মিটিং করেন।
এর পরে বিকাল ৩টায় পূর্ব ঘোষনা দিয়ে উভয় গ্রামের শত শত মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সোমবার দুপুরে ফের সংঘর্ষে দুপক্ষের ১ জন নিহত হয়। নিহত পৌরসভার তিমিরপুর গ্রামের এম্বুলেন্স চালক মো ফারুক মিয়া। এ সময় অধিক রক্তক্ষরণ হয়ে গুরুতর আহত হয় পৌরসভার আনমনু গ্রামের আওয়াল মিয়ার পুত্র রিমন মিয়া (৪০) কে সাথে সাথে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ৬ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে গত ১২ জুলাই শনিবার সন্ধ্যায় মৃত্যুর কোলে ঢলেৃ পড়ে। ঘটনার দিন উভয় পক্ষের সংষর্ষের ফলে নবীগঞ্জ শহরে ভাঙচুর ও লুটপাটে অন্তত কোটি টাকার উপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন শহরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১৪৪ ধারা জারি করেছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিমন মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
