সিলেটের বালাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মির্জা আবুল মিয়া (৭০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিশেষ টিমের সহায়তায় গত ১ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন-পূর্ব মুসলিমাবাদ গ্রামের মৃত মির্জা ফরিদ ছেলে ও মেয়ে মির্জা টিটু (৩৫), মির্জা জেনী বেগম, ১ম আসামীর স্ত্রী সালমা বেগম (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. বালাগঞ্জ থানায় পেনাল কোডের ১৪৩/৪৭৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/ ৫০৬(২)/১১৪/৩৪ ধারায় মামলা নং-০৯/৭২ রুজু করা হয়।
বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ তরফদারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) সৌরভ সাহার নেতৃত্বে বালাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরবর্তীতে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম ও এসআরবি-৯, সিলেটের সহযোগিতায় গত ১ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় সিএমপির বন্দর থানাধীন ব্রিক ফিল্ড রোডের রোকেয়া মঞ্জিল এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পুলিশি হেফাজতে এনে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর রাতে বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নের মুসলিমাবাদ (ডেকাপুর) গ্রামে বাড়ি বিক্রির পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন ভাতিজা মির্জা টিটুর দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন বৃদ্ধ মির্জা আবুল মিয়া। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বালাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশের তৎপরতায় মামলার প্রধান আসামিসহ এজাহারনামীয় তিনজনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
