মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ জামায়াতে যোগদান করেছেন।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের কাঠালতলী বাজারে আয়োজিত এক জনসভায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীতে ৪০ জন চা-শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।
এসময় উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির এমাদুল ইসলাম, নায়েবে আমির ফয়সল আহমদ, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি লুৎফুর রহমান, সেক্রেটারি আব্দুস সালাম ও যুব বিভাগের উপজেলা সভাপতি জুবায়ের আহমদ শিমুল নব্য যোগদানকৃতদের ফুলের তোড়া ও মালা পরিয়ে বরণ করে নেন। জানা যায় তারা জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে যোগদান করেছেন। যোগদানের এমন গঠনায় এলাকায় বইছে নির্বাচনী উত্তাপ ও আলোচনার নতুন মাত্রা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সুরা সদস্য ও দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাওলানা আলিম উদ্দিন, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল আহাদ রুফুল, টিম সদস্য সাইদুল ইসলাম, পেশাজীবি বিভাগের ইউনিয়ন সভাপতি কামারুজ্জামান মুক্তা, ছাত্রশিবির দক্ষিন শাখার সভাপতি জেবুল আহমদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
যোগদান প্রসঙ্গে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায় ও অধিকার চায়। আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদানের মাধ্যমে প্রমাণ হলো দাঁড়িপাল্লার প্রতি আপনাদের আস্থা দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং থাকব। দেশের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সমান সুযোগ, বিচার ও উন্নয়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ফয়সল আহমদ বলেন, চা শ্রমিকরা জামায়াতের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে যোগদান করেছেন। আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা ও শান্তিময় সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি মুক্ত দেশ গড়তে হবে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হয়নি। যারা আজকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তারা পরস্পরের ভাই হিসেবে ভালো-মন্দ, বিপদ-আপদে একসাথে কাজ করবে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি লুৎফুর রহমান বলেন, “বিভিন্ন পেশা ও ধর্মের মানুষের মাঝে জামায়াতের দাওয়াতি কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এই যোগদান প্রমাণ করে, আমাদের আদর্শ ও চিন্তা সকল শ্রেণি ও ধর্মের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।”
