উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন
বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ায় ছিল স্বাধীনতার লক্ষ্য

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী, ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক -শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা -কর্মচারীবৃন্দ।

দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ‍্যালারী-১ এ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে অর্জিত স্বাধীনতার মূল্যায়ন করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতি এবং প্রত‍্যেক ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো যেদিন পৌছাবে সেদিনই স্বাধীনতার চেতনা স্বার্থক হবে এবং স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হবে খুশির এবং আনন্দময়। তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করে এদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির উন্নয়নে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।

স্বাধীনতা দিবস জাতীয় জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে উল্লেখ করে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন‍্য সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে এবং স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যমুক্ত সমাজকাঠামো তৈরি করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তাহলেই স্বাধীনতার মুল লক্ষ্য বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ দেশ গঠন সম্ভব হবে।

তিনি অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, উপমহাদেশের প্রখ‍্যাত দানবীর লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ রাগীব আলী শিক্ষার উন্নয়নের মাধ‍্যমে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করে দেশকে এগিয়ে নেয়ার ভূমিকায় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

জাতীয় জীবনের অনন‍্য গৌরবময় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লিডিং ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাই রক্ত দিয়ে যারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে অর্জিত স্বাধীনতার গুরুত্বারোপ করেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ব‍্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভুঁইয়া।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, ছাত্রকল‍্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মজিদ মিয়া, ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান, প্রক্টর মো. মাহবুবুর রহমান, সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের পক্ষে ব‍্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহানশাহ মোল্লা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অর্থ ও হিসাব মোহাম্মদ কবির আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক -শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আইন বিভাগের সহকারি অধ‍্যাপক মো. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোর’আন থেকে তিলাওয়াত করেন হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে যেসকল বীর শহিদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কমনা করে দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ‍্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান।

অনুষ্ঠান পরবর্তী লিডিং ইউনিভার্সিটি রাস্তার পাশে উন্নত জাতের বড়ই এবং কাঁঠালের চারা রোপণ করেন দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলীসহ অতিথিবৃন্দ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন