সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরের বর্ধিতাংশ ধরুন্দ ও ইউনুছপুর গ্রামের ৮৮নং পিআইসির অধীনে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ইউনুছপুর ও বড়দল গ্রামের স্থানীয় এলাকাবাসী ও কৃষকদের আয়োজনে ইউনুসপুর ভাঙ্গারখাল নদীর কুড়ের পাড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনুসপুর ভাঙ্গারখাল নদীর কুড়ের পাড়ে বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও না হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের পানি সহজে বলদার হাওরে প্রবেশ করবে। এ কারনে বলদার হাওরেই নয় মাটিয়ান হাওর সহ বিভিন্ন হাওরের ফসল ডুবে হাজার হাজার কৃষকের কষ্টে ফলানো বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে যাবে আর কৃষক পরিবারের কষ্টের শেষ থাকবে না। এখানে মাটিয়ান হাওরের বর্ধিতাংশ ধরুন্দ ও ইউনুছপুর গ্রামের ৮৮নং পিআইসির অধীনে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। পূর্বের মাটির উপর দিকে কোদাল দিয়ে সামান্য ছেছে দায় সারা কাজ করা হয়েছে। সাবেক বাঁধ কেটে স্লোভ করে কাজ শেষ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে ধরুন্দ গ্রামের বাঁধ। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
মানববন্ধনে বক্তারা হুশিয়ারী করে বলেন, আমরা প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে হুমকি ভয় দেখানো হয়েছে। যদি এখানে বাঁধ নির্মাণ করা না হয় আর ফসলের ক্ষতি হয় এর দায় ভাড় পিআইসি ও পাউবো কে নিয়ে হবে। এছাড়াও আমরা উপজেলার মানববন্ধন করবো।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, হারুন মিয়া ভূঁইয়া, ফজলু ভূইয়া, রমজান মিয়া, আরিজ মিয়া, বিল্লাল মিয়া, ফারুক মিয়া, সিদ্দিক মিয়া, সাহাব উদ্দিন প্রমুখ। এসময় আশপাশে কয়েকটি গ্রামের কৃষক ও কৃষক পরিবারের সদস্যরা অংশ গ্রহণ করে।
পিআইসির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, পিআইসিতে নীতিমালা অনুযায়ী ও যেখানে মাটিসহ অন্যান্য কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে তা সম্পূর্ণ করা হয়েছে কোনো অনিয়ম করা হয়নি। আর যেখানে বাঁধ দেয়ার কথা বলা হচ্ছে এবং অভিযোগ করা হয়েছে সেখানে মাটি ফেলার কোনো নির্দেশনা নাই। যার জন্য মাটির কাজ সহ অন্যান্য কাজ করা হয়নি।
