আওয়ামী লীগের সরকারের আমল থেকে চলছে ত্রান লুটপাট এবং অর্থ আত্মসাৎতের দুর্নীতি। গনঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরও ছিলো অনিয়মের ধারা।
চাঁদনী বেগম শুরুতে সদস্য হিসেবে থাকলেও পরবর্তীতে সংগঠনটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০২০ সাল থেকে।
২০২১ সাল থেকে নানা অনিয়ম, দূর্নীতি,ত্রান লুট, সমিতির টাকা আত্মসাৎ এর কারণে অভিযোগ উঠে চাঁদনী বেগম এবং উক্ত সমিতির সদস্য শ্যামলী বেগম ও সদস্য মিনহা আক্তারের উপর। গত কয়েক বছরে বন্যার্থদের ত্রান বিতরণের নাম করে ,অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ ও বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সহায়তার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
নতুন ক্যাশিয়ার পাপিয়া বেগম দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বের হয়ে আসে একের পর এক আর্থিক অনিয়ম, ভূয়া খরচের চালান, ত্রান বিতরণের নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ নানা দূর্নীতির তথ্য।
লুটপাটের বিষয়টি নজরে আসার পর তদন্তের জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির কাছেও বিস্তর অনিয়ম ধরা পরে। পরবর্তীতে নির্ভূল তদন্ত করার জন্য তদন্তে মেয়াদ বাড়ানো হয় ২৫ মে ২০২৬ পযর্ন্ত।
সমতির সভাপতি এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা জানান যে সব হিসাব নতুনভাবে নিরীক্ষা করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং সমিতি থেকে বহিস্কার করা হবে এবং লুট করা অর্থ উদ্ধার করা হবে।