
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা মডেল মসজিদে ইমাম নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও যোগ্যতা উপেক্ষার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ক্বারী মাওলানা মুফতি নোমান আহমদ।
বুধবার (১০ফেব্রুয়ারি) সকালে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ক্বারী মাওলানা মুফতি নোমান আহমদ,অভিযোগ করে বলেন, গত ২৩ ডিসেম্বর যথাসময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণায় তিনি দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন কিন্তু লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মেধাতালিকায় চতুর্থ হওয়া এক প্রার্থী অর্থের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম সারির একাধিক মেধাবী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও নিয়ম বহির্ভূতভাবে চতুর্থ অবস্থানে থাকা ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ক্বারী মাওলানা মুফতি নোমান আহমদ,দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ”র বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা মডেল মসজিদ নিয়োগ কমিটির সভাপতি ডাক্তার মোঃ আবু সালেহীন খাঁন”র বিরুদ্ধে, অভিযোগে উল্লেখ করা হয় গত ১৭ নভেম্বর প্রচারিত বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক মোঃ নোমান আহমদ পেশ ইমাম হিসাবে চাকুরী পাওয়ার জন্য বিগত ২৩ ডিসেম্বরে যথাসময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণায় তিনি দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। কিন্তু চুড়ান্ত তালিকায় দেখা যায় চতুর্থ হওয়া ব্যাক্তির চাকরি হয়েছে।
তখন আমি আমার চূড়ান্ত ফলাফলের মার্কশীট মৌখিক ভাবে চাই। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ডাঃ মোঃ আবু সালেহীন খাঁন আমার চূড়ান্ত ফলাফলের মার্কশীট আমাকে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,আব্দুর রউফ, মাওলানা রায়হান আজিজ,রবিউল ইসলাম, আব্দুল বাছিত, আব্দুল জলিল, মাওলানা নাঈম আহমদ প্রমুখ।