সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারী–২০২৬ কার্যক্রমের নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক তরুণ উদ্যোক্তা নাজমুল হক সজীব।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “কোটা না মেধা, কোটা-কোটা। ফ্যাক্ট: ফ্যামিলি কার্ড শুমারী–২০২৬।”
পোস্টে তিনি আরও বলেন, “কোনো রাজনীতিবিদ, কোনো সাংবাদিক, কোনো আমলা, কোনো আইনজীবী, কোনো সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা কিংবা কোনো সচেতন নাগরিক যদি মনে করেন আমি ভুল বলছি, তাহলে আমার সঙ্গে যুক্তিতে আসুন। তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন “অভিযোগ নয়, চাই যুক্তি। বক্তব্য নয়, চাই তথ্য। দাবি নয়, চাই প্রমাণ।”
নাজমুল হক সজীবের বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, ফ্যামিলি কার্ড শুমারী–২০২৬-এর মতো সরকারি কার্যক্রমে নিয়োগ বা দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
তবে তিনি তার উত্থাপিত প্রশ্নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ধর্মপাশা উপজেলার ইউএনও জনি রায় কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন মেধা ও যোগ্যতা দিয়েই মূল্যয়ন করা হয়েছে। নাজমুল হক সজীব তার পোস্টের মাধ্যমে মূলত বিষয়টি নিয়ে যুক্তি, তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আলোচনা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
