রমজান মাসে সরকারের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যরা খেজুর পেয়ে থাকেন। এ বিষয়টি প্রথম সামনে আনলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জয়ী এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ। এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
পোস্টে মাহমুদা মিতু লিখেছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি না হলে, সরকার যে খেজুর দেয় জনগণ জানতোই না। পাইলেও জনগণ জানতো এলাকায় নেতায় পাঠাইছেন।
এর আগে গত ৪ মার্চ এক পোস্টে তিনি বলেন, মৃত্যুর মুখে দাঁড়ালে আয়ু বেড়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ, শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। মঙ্গলবার ড্রেইন টিউব ক্যানোলা সব খোলার পর নিজেকে মুক্ত মনে হচ্ছিলো। টানা ৮ দিন অলমোস্ট মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছি। তবে নানা জটিলতায় শরীরের ওপর ধকল গিয়েছে। আমার হাতে ক্যানোলার আর জায়গা না থাকায় শেষে বাচ্চাদের ক্যানোলা দিয়ে হাত অলমোস্ট বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সে গল্প অন্য একদিন।
মাহমুদা মিতু বলেন, কাঠালিয়া রাজাপুর উপজেলা মসজিদ মাদ্রাসার মন্দির আশ্রমের স্পেশাল বরাদ্দের জন্য আসিফ মাহমুদ বরাবর নভেম্বরে আবেদন করেছিলাম। সেটা ডিসেম্বরে পাশ হলেও ইলেকশনের জন্য দেওয়া হয়নি। সেটা দেওয়া শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, কিছুদিন পর কাঠালিয়ার রাস্তাঘাটের জন্য যে ১১৩ কোটি টাকার বরাদ্দ হয়েছে সেটার কাজ ও শুরু হবে।
তিনি বলেন, প্রতি মসজিদ মন্দির ২ লাখ করে পাবে, তবে যত নাম দিয়েছিলাম সবগুলো আসেনি। যারা বরাদ্দ পাননি মন খারাপ না করার অনুরোধ রইল। আমি যতদিন আছি, আপনাদের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ। আমার অঞ্চলের জনগণের এক পয়সা হক নষ্ট হতে দেব না, ইনশাআল্লাহ। ক্ষমতার লোভ কোনো কালেই ছিল না। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসার লোভ, আপনাদের জন্য কাজ করার লোভ আমার আছে। কারণ, আমি জানি এই কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। যারা দুর্নীতি করে আপনাদের হক নষ্ট করবে তারা টিকবে না।
