চুল পাকা এখন শুধু বয়সের কারণে হয় না। মানসিক চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন, দূষণ ও পুষ্টির ঘাটতির মতো নানা কারণেও কম বয়সে চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। যদিও রাতারাতি এ সমস্যা দূর করার কোনো উপায় নেই, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলে চুলের স্বাভাবিক রঙ ধরে রাখতে সহায়তা মিলতে পারে। জেনে নিন এমনই ৪টি উপকারী খাবারের কথা—
১. আমলকী
চুলের যত্নে আমলকী অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং অকালে চুল পাকা কমাতে সাহায্য করে। আমলকী কাঁচা খাওয়া যায়, আবার গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এছাড়া চুলে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যায়।
২. কালো তিল
বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো তিল চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে সহায়ক। এটি মেলানোসাইটের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা চুলে রঙ তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ কালো তিল খেতে পারেন। লাড্ডু, রুটি বা পরোটার সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। এছাড়া তিলের তেল মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং স্ক্যাল্প পুষ্টি পায়।
৩. কালো কিশমিশ
আয়রন ও ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস কালো কিশমিশ। এটি চুলের পুষ্টি জোগাতে এবং চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন রাতে ৫টি কালো কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
৪. কারি পাতা
কারি পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও বি১২, পাশাপাশি আয়রন ও ক্যালসিয়াম। নিয়মিত কারি পাতা খেলে চুল পড়া কমতে পারে এবং চুল পাকা বিলম্বিত হতে পারে। রান্নায় ব্যবহার ছাড়াও ৫-১০টি কারি পাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলেও উপকার মিলতে পারে।