চতুর্থবারের মতো যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন সিলেটের কৃতি সন্তান হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার। গত ১৩ আগস্ট রাজধানীর কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে কেন্দ্রীয় সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে বিগত তিনটি সেশনে তিনি দুই বার কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এবং এক বার কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা পূর্বে সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের প্রচার সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
ছাত্র রাজনীতি থেকেই তার পথচলা শুরু। ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি ত্যাগ ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০১২ সালে সিলেট নগরীতে জমিয়তের একটি মিছিল থেকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হয়ে এই ত্যাগী নেতাকে দীর্ঘদিন কারাবরণও করতে হয়েছিল।
সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার একজন সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ‘জাগরণী’ ইসলামী সংগীত শিল্পী। ঢাকার ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ দেশজুড়ে বড় বড় রাজনৈতিক ও দ্বীনি মহাসমাবেশে তার নিয়মিত পরিবেশনা সর্বমহলে প্রশংসিত। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসলামী সংগীতের সুরের মূর্ছনায় তিনি মানুষকে দ্বীনের পথে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জাগরণ ইসলামী সাংস্কৃতিক দল’-এর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। বর্তমানে তিনি সিলেটের জামেয়া শাহ ওলিউল্লাহ রইছুল উলুম মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম (সহ-অধ্যক্ষ) হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামের সোহবত প্রাপ্ত এবং স্নেহধন্য হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার কেন্দ্রীয় সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেট মহানগর যুব জমিয়ত, জাগরণ ইসলামী সাংস্কৃতিক দল, শাহ ওলিউল্লাহ ফাউন্ডেশন, এবং জামেয়া শাহ ওলিউল্লাহ রইছুল উলুম সিলেট সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তার সততা, নিষ্ঠা এবং অনন্য সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে আগামী দিনে যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম ও যুবসমাজ আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। তারা এই ত্যাগী নেতার দীর্ঘায়ু ও নতুন পদের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
