প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গ্রেপ্তার হওয়া ‘ওর্স্ট অব দ্য ওর্স্ট’ বা ‘খারাপের চেয়ে খারাপ’ বিদেশি অপরাধীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। প্রকাশিত তালিকায় বিভিন্ন দেশের অপরাধীদের পাশাপাশি অন্তত ১০ জন বাংলাদেশির নাম ও তাদের অপরাধের বিবরণ উঠে এসেছে।
আইসিইর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন— কাজী আবু সাঈদ। ক্যানসাস অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার সাঈদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন হেনস্তা, অবৈধ জুয়া পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।
তালিকায় আছেন শাহেদ হাসান নামে এক বাংলাদেশি। শাহেদকে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গোপনে অস্ত্র বহন এবং চুরির অভিযোগ রয়েছে।
মোহাম্মদ আহমেদ ও মো. হোসেন নামে আরও দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিউইয়র্ক থেকে। তাদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও যৌন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
মাহতাবউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভার্জিনিয়ার চ্যান্টিলি শহর থেকে। তার বিরুদ্ধে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের মার্লিন শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নেওয়াজ খানকে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ইশতিয়াক রাফি নামে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভার্জিনিয়ার মানাসাস শহর থেকে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক রাখার অভিযোগ রয়েছে।
ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে বাংলাদেশি নাগরিক আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিশিগানের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে। একই অভিযোগে কণক পারভেজ নামে আরেক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হয়েছেন অ্যারিজোনা থেকে।
চুরির অভিযোগে শাহরিয়া আবিরকে ফ্লোরিডা প্যানস্কলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনায় তারা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করছে। ডিএইচএসের বার্তায় বলা হয়েছে, আইসিইর পরিশ্রমী সদস্যরা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছেন। আমরা সেই সব অবৈধ ব্যক্তিকে দিয়ে বিতাড়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছি যারা গুরুতর অপরাধে জড়িত।
