মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা যুবদলের আসন্ন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মুখে এখন একটিই নাম—শাহিন আহমেদ। দীর্ঘ দুই দশকের রাজপথের লড়াই, ত্যাগ এবং হামলা-মামলায় পরীক্ষিত এই ছাত্রনেতা বর্তমানে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে পথচলা শুরু করা শাহিন আহমদের রাজনীতির জীবনে বণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে।
২০০১ সালে জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তার রাজনীতির শুরু।
এরপর থেকে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৫ সালে জুড়ী তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৬ সালে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
২০১০ সালে যখন আন্দোলন তুঙ্গে, তখন তিনি জুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সাহসিকতার পরিচয় দেন।
এছাড়াও উচ্চশিক্ষার জন্য সিলেট এম.সি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালেও তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে একনিষ্ঠ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি জুড়ী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জুড়ীর স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, শাহিন আহমেদ কেবল একজন নেতাই নন, তিনি রাজপথের লড়াকু সৈনিক। দলের দুঃসময়ে হামলা ও মামলার শিকার হয়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সাধারণ কর্মীদের বিপদে-আপদে তাকে সব সময় পাশে পাওয়া যায়। তাই জুড়ী উপজেলা যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে শাহিন আহমেদের মতো ত্যাগী নেতাকেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান তারা।
নিজের প্রার্থীতা ও নেতাকর্মীদের সমর্থন নিয়ে শাহিন আহমেদ বলেন, আমি পদের মোহ করি না, দলের জন্য কাজ করে আসছি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে। দল যদি আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করে এবং আমাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়, তবে জুড়ী উপজেলা যুবদলকে মৌলভীবাজার জেলার মধ্যে একটি শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করব ইনশাআল্লাহ।
আসন্ন জুড়ী উপজেলা যুবদলের কমিটিতে শাহিন আহমেদের মতো রাজপথের পরীক্ষিত নেতৃত্ব আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ নেতাকর্মীদের।
