- Dainiksylhet.com - https://dainiksylhet.com -

কানাইঘাট দনা সীমান্তে গণধর্ষণের ঘটনায় আরও ১ আসামী গ্রেফতার

কানাইঘাট দনা সীমান্তে গণধর্ষণের ঘটনায় আরও এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এএসআই আরফিন চৌধুরী, এএসআই শামীম নুর, এএসআই রাসেল মিয়া সহ একদল পুলিশ স্থানীয় গ্রাম পুলিশ, ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসীর সহযোগীতা নিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় দনা সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ১নং আসামী হুসাইন আহমদ (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়।

সে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের দনা রাঙ্গিছড়া গ্রামের মঈন উদ্দিনের পুত্র।

গ্রেফতারে পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয় স্বীকার করে। ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সিলেটের কানাইঘাটে ভারত থেকে ফেরত আসা ২২ বছর বয়সী এক তরুনীকে প্রায় ১০ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনায় কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ঐ তরুণী। কানাইঘাট থানার মামলা নং-২ তারিখ: ০২/০৯/২০২৬ইং। মামলা দায়ের পর এজহার নামীয় ২নং আসামি নাঈম উদ্দিনকে গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের দনা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার নাঈম উদ্দিন দনাপাত্তিছড়া গ্রামের আব্দুর রহমান ডালু মিয়ার পুত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার শালচুড়া গ্রামে। প্রায় নয় মাস আগে তিনি সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে হায়দরাবাদে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গত ২০ আগস্ট জাহাঙ্গীর নামে এক আত্মীয়ের সহায়তায় বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে হায়দরাবাদ থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী নন্দনপুর এলাকায় আসেন তিনি। সেখানে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তার ওই আত্মীয়কে আটক করে। পরে কান্নাকাটির একপর্যায়ে বিএসএফ তাকে কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলে গণধর্ষণকান্ডের শিকার হন ঐ তরুণী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন