
আয়াতের অর্থ:
‘তাদের জন্য এক নিদর্শন রাত, তা থেকে আমি দিবালোক অপসারিত করি, তখন তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। আর সূর্য ভ্রমণ করে এর নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে, এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ।’
(সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৩৭-৩৮)
আয়াতদ্বয়ে কক্ষপথে সূর্যের প্রদক্ষিণের আলোচনা করা হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান:
১. আয়াতে ইঙ্গিত মেলে যে পৃথিবীতে অন্ধকারই মূল।
সে চন্দ্র-সূর্যসহ অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্র থেকে আলো গ্রহণ করে।
২. মহান আল্লাহ আলোর ব্যবস্থা সরিয়ে নিলে পৃথিবীতে অন্ধকার নেমে আসে। আর এটাকেই রাত বলা হয়।
৩. সূর্য তার কক্ষপথে মজবুত ও অটল ব্যবস্থার অধীনে পরিভ্রমণ করছে।
তবে সূর্যের এই গতি চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ এর জন্য সময় সীমা নির্ধারণ করে রেখেছেন।
৪. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূর্য চলতে চলতে যখন আরশের নিচে পৌঁছে তখন সে আল্লাহকে সিজদা করে। তার সিজদা তার নিজস্ব পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।
৫. হাদিসে এসেছে, সিজদা করার পর সূর্য নবোদয়ের অনুমতি পায়। যেদিন তাকে নবোদয়ের অনুমতি দেওয়া হবে না সেদিন কিয়ামত হবে।
(মাআরেফুল কোরআন : ৭/৩৭২)