- Dainiksylhet.com - https://dainiksylhet.com -

লাখাইয়ে ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফলাফল বিপর্যয়

লাখাই উপজেলার কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

লাখাই উপজেলার মধ্যে মোড়াকরি হাইস্কুল এন্ড কলেজ, বামৈ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসইবুকে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মোড়াকরি হাইস্কুল এন্ড কলেজে ৯০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন পাস করেছে। সে হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার প্রায় ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

অন্যদিকে বামৈ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ জন পাস করেছে এবং একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার প্রায় ৪২ দশমিক ৪২ শতাংশ।

অপরদিকে কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন পাস করেছে। তবে এ প্রতিষ্ঠানের চারজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার প্রায় ৪৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের মধ্যে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় স্থানীয়দের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ বিদ্যালয়ের পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, নিয়মিত উপস্থিতি ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আবার অনেকেই মনে করছেন, শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার মান বিচার করা উচিত নয়।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের মতে, ফলাফল আশানুরূপ না হলে এর কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস, শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় এবং পরীক্ষার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতির ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

তবে তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের দিকে তাকালে একটি বিষয়ও স্পষ্ট—পাসের হার তুলনামূলক কম হলেও কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন এবং বামৈ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ফলে শুধু পাসের হার নয়, ফলাফলের সামগ্রিক চিত্রও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছে ফলাফলের কারণ বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতে ফলাফল উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন