সারাদেশের ন্যায় লাখাইয়ে দেখা দিয়েছে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব। দিন দিন বাড়ছে হাম রোগীর সংখ্যা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পর্যন্ত লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন হাম রোগী ভর্তি আছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাম রোগীদের নিয়মিত টীকা দান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস বয়সে ১ম ডোজ ও ১৫ মাস বয়সে ২য় ডোজ এর কার্যক্রম চালু আছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৫০ শয্যা লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৭ জন রোগী ভর্তি আছে।এর মধ্যে ৫জন হাম রোগী।
সেবা নিতে আসা রোগীদের অভিভাবকদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি কিন্তু বেড সংকট থাকায় হাসপাতালের ফ্লোরে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মোক্তাদির জানান, বর্তমানে হাম রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলশন কর্ণার খোলা হয়েছে এবং হাম রোগীরা নিরাপদ অবস্থায় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সেই বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কাজী শামসুল আরেফিন বলেন, আমরা নিয়মিত ভাবে টীকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হাম রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষধ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত শনিবার ৩৫০ টীকা পেয়েছি। অতিশীঘ্রই ক্যাম্পেইনের টীকা আমাদের কাছে এসে পৌছবে। তবে বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চালু করার জন্য বর্তমান সরকার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন। এদিকে ৩ জন হাম রোগীর স্যাম্পল কালেকশন করে ঢাকা মহাখালী আইপিএইচ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন সাধারণত যে সব বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে সে সব রোগীদের হাঁচি, কাশি মাধ্যমে হাম রোগ ছড়িয়ে পরে। এ সব ক্ষেত্রে বাচ্চাদের অভিভাবকরা বাচ্চাদের সুস্থ রাখতে সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরী।
