হবিগঞ্জের লাখাইয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তারেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
শুরুতে বিগত মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও থানা পুলিশ এর চলমান কার্যক্রমের বিশদ বিবরণ তুলে আলোচনায় অংশ নেন থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শরীফ আহমেদ।
এতে আলোচনায় অংশ নেন লাখাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডক্টর এম আক্তার আহাদ চৌধুরী স্বপন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবদুল ওয়াদুদ তালুকদার আব্দাল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শেখ মোহাম্মদ ফরিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সামছুদ্দিন আহমেদ, যুবদলের আহবায়ক মাহমুদুল হাসান, তাজুল ইসলাম মোল্লা, লাখাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ রুপন, বামৈ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার কাজী সামছুল আরেফিন, লাখাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন, লাখাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ হাসান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক ও চুরি রোধে পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে তবুও এর লাগাম টানা সম্ভব হয়ে উঠছে না। এমনতর অবস্থায় পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে প্রতিটি ওর্য়াডে কমিটি গঠন করে মাদক ও চুরি রোধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। স্থানীয় বুল্লাবাজার চৌরাস্তায় যানজট নিরসনে ও গনউপদ্রপ রোধে সড়কের এ অংশে আন্ডার পাস নির্মান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। উপজেলার বুল্লাবাজার, কালাউক বাজার, বামৈবাজার, মোড়াকরি বাজার এলাকায় সড়কে যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা ও যাত্রী উঠানামা করার নামে গনউপদ্রপ সৃষ্টি কারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। লাখাই উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী বরাকের গতিপথ পরিবর্তন করে লাখাই অংশে নদীসৃজন করার প্রচেষ্টা বন্ধে কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নতুবা শুষ্ক মৌসুমে এ নদীর গতিপথ পরিবর্তন এর অপচেষ্টার বিষয়ে লাখাই উপজেলা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।
এছাড়াও সে সকল এলাকা হয়ে মাদকদ্রব্য লাখাইয়ে প্রবেশ করে সে গুলো চিন্হিত করে তা বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বুল্লা বাজারের চুরি রোধে পুরো বাজার সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি নৈশকালীন পাহারা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
