সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন মোগলাবাজার থানার সামনে জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের মোগলাবাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন থানার এসআই দেবদুলাল ধর।
জানা যায়, শনিবার বিকেলে মোগলাবাজার থানার সামনে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাঁধা প্রদান করে। এতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ সহ দুপক্ষের অন্তত দশ/পনেরো জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থল ও এর আশপাশ এলাকা থেকে পুলিশ অন্তত ৯ জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় ৭৪ জন জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীর নামোল্লেখ সহ ২০০/২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখিত আসামীরা হলেন, (১) অলিউর রহমান, পিতা: মৃত আব্দুল মালিক, সাং বাওনপুর (২) আহমদ চৌধুরী ফয়েজ, পিতা-মৃত আফতাব উদ্দীন চৌধুরী, সাং দাসপাড়া (৩) আবুল হাসান, পিতা: কয়ছর মিয়া, সাং তেলিপাড়া (৪) আমিরুল ইসলাম (২৫), পিতা: আব্দুল জব্বার মাষ্টার (৫ কাওছার আহমদ, পিতা-আব্দুল ওয়াদুদ (৬) জামিল (২৭), পিতা অজ্ঞাত, সাং তেলিকোনা (৭) খিজির আহমদ তনু (৩১), পিতা-অজ্ঞাত (৮) মোঃ আঙ্গুর আলী, পিতা- মোঃ ইন্তাজ আলী, সাং দাউদপুর (৯) মুজাহিদুল ইসলাম, পিতা- মৃত মদরিছ আলী, সাং রামধানা (১০) আল আমিন, পিতা-সাইস্তা মিয়া, সাং ডুংশ্রী (১১) ইকবাল আহমদ মাছুম, পিতা অজ্ঞাত, সাং কামালগড় (১২) রজবুল ইসলাম, পিতাঃ আমির আলী (১৩) জয়নাল আবেদীন, পিতা: আব্দুল করিম সাং লামাপাড়া (১৪) লাভলু, পিতা-গিয়াস মিয়া, সাং রামপাশা (১৫) মুমিনুর রহমান তামিম, পিতা-অজ্ঞাত, সাং ভোলাগঞ্জ (১৬) নাছিম আহমদ (২৮), পিতা অজ্ঞাত (১৭) লিপু গনি, পিতা-মফিজ গনি, সাং তুলশি (১৮) লাহিন আহমদ, পিতা-মখন মিয়া (১৯) জসিম উদ্দীন, পিতা-মৃত ইউনুছ মিয়া (২০) শাহীনুর রহমান সুজান, পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান (২১) জাকির হোসেন সায়মন (২১), পিতা- সিরাজুল ইসলাম (২২) ফয়সল, পিতা-অজ্ঞাত (২৩) প্রিন্স, পিতা- অজ্ঞাত (২৪) বিপুল, পিতা- মৃত জব্বার মিয়া (২৫) আবুল লেইছ, পিতা: করিম বক্স (২৬) রুহেল আহমদ, পিতা মৃত লুন্দু মিয়া (২৭) মোঃ কাওছার আহমদ, পিতা-আব্দুল ওয়াদুদ, গ্রামঃ ঘাঘলারজুর (২৮) রাতুল মিয়া, পিতাঃ দুদু মিয়া (২৯) মুবাশ্বির আলী, পিতা মতাহীর আলী (৩০) এমরান, পিতা খইয়া মিয়া (৩১) জালাল, পিতা-সামছু মিয়া (৩২) রনি, পিতা-আতিক মিয়া (৩৩) ফয়ছল, পিতা-তুতা মিয়া (৩৪) জামাল, পিতা-মযদ আলী (৩৫) মনজুর মিয়া, পিতা-মনির মিয়া (৩৩) এসাদ, পিতা-ছত্তার মিয়া (৩৭) তারেক, পিতা-কাহের মিয়া (৩৯) ইমরুল, পিতা-সুনু মিয়া (৪০) জাহিদ, পিতা-মুজম্মিল (৪১) লায়েক, পিতা-আরিফ মিয়া (৪২) জেমি, পিতা-রমিজ (৪৩) কুদ্দুস, পিতা-আহাদ (৪৪) মনু, পিতা-সফিক (৪৫) মাজেদ, পিতা-আনু (৪৬) রেশাদ আহমদ (৪৭), পিতা-হাজী সিকান্দর আলী (৪৮) করিম আলী, পিতাঃ মকরম আলী, (৪৯) গিয়াস উদ্দীন, পিতাঃ মৃত রহমান আলী (৫০) কছির মিয়া, পিতাঃ মৃত খুরশেদ আলী (৫১) শিব্বির আহমদ, পিতাঃ আব্দুল হামিদ (৫২) ইকবাল হুসেন, পিতা- মৃত মোঃ মোতাহির আলী (৫৩) খায়রুল আমিন, পিতা- ছালেহ আহমদ (৫৪)মবরুল ইসলাম, পিতা-মাওঃ গেদা মিয়া (৫৫) তাজুল ইসলাম মনি, পিতা-মৃত শামছুদ্দীন (৫৬) মোড়ক আহমদ, পিতা-মাহমদ আলী (৫৭) আহমদ আলী, পিতা-তোয়াহিদ আলী (৫৮) এনামুল হক মান্না, পিতা-মৃত তজম্মুল আলী (৫৯) মিলন মিয়া, পিতা আনাই মিয়া, গ্রামঃ রনকেলী (৬০) রেশাদ আহমদ, পিতা-হাজী আব্দুল মতিন (৬১) রাতুল মিয়া, পিতাঃ দুদু মিয়া (৬২) মুবাশ্বির আলী, পিতা মতাহীর আলী (৬৩) জালাল, পিতা-সামছু মিয়া (৬৪) রনি, পিতা-আতিক মিয়া (৬৫) ফয়ছল, পিতা-তুতা মিয়া (৬৬) জামাল, পিতা-মযদ আলী (৬৭) মনজুর মিয়া, পিতা-মনির মিয়া (৬৮) জয়নাল আবেদীন, পিতা- মিনহাজ মিয়া (৬৯) মাহবুব আলী, পিতা মনফর আলী (৭০) জুবায়ের আহমদ, পিতা-আব্দুল হাই হারুন (৭১) ইহতেশাম, পিতা-এখলাছ মিয়া (৭২) মাহদী, পিতা-ইসকন্দর আলী (৭৩) সালাম মিয়া, পিতা-আব্দুল করিম (৭৪) ইন্তাজ উল্যা, পিতা-নজির মিয়া, সর্বথানা-মোগলাবাজার, জেলা-সিলেট আরও ২০০/২৫০ অজ্ঞাত।
এর মধ্যে ঘটনাস্থল ও এর আশপাশ এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এবিষয়ে মোগলাবাজার থানার ওসি মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, পুলিশের কাজে বাঁধা প্রদান ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।