সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের ইজারাবিহীন শান্তিপুর নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। এসময় একটি বড় বাল্কহেড, চারটি নৌকাসহ চারজনকে আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে প্রত্যেককে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা উত্তর বড়দল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শান্তিপুর নদীতে অভিযান পরিচালনা করে আটকের পর রাতে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, একদল বালু খেকো চক্র দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপুর নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেছে একটি বালু খেকো চক্র ও প্রভাবশালী মহল। তা প্রতিরোধ করার জন্য বাশেঁ বেড়া দিলেও তা মানছে না স্থানীয় বালু খেকো চক্র ও প্রভাবশালী মহলের সদস্যরা। বালু উত্তোলন করে নৌকায় করে নিয়ে যাচ্ছে বালু খেকো চক্রটি এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে অভিযান পরিচালিত করে বালুসহ নৌকা ও চারজনকে আটক করে। পরে রাতে অবৈধ ওই কাজের সাথে জড়িতদের প্রত্যককে কারাদন্ড প্রদান করেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান মানিক। এছাড়া বাল্কহেড নৌকা পুলিশের জিম্মায় রাখা হয় এবং ছোট নৌকা ধ্বংস করা হয়।
অপরদিকে, উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু পৃথক একটি অভিযান চালিয়ে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে অবৈধভাবে মাছ ধরার দায়ে একজনকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
সচেতন মহল ও স্থানীয় এলাকাবাসী দাবী, এই বালু মহাল আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তিমূলক আইন হলেও শ্রমিকদের শুধু নয় জায়গায় মালিক এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহল যারা এই কাজ করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক। তিনি উপজেলার সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
