তিনটি উইকেটের প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে সে কাঙ্ক্ষিত ৩ উইকেটের দেখা পেয়ে গেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়া অল আউট হয়েছে ২৮৪ রানে। ইনিংস ব্যবধানে জয় না হলেও এবার জয় তুলে নেওয়ার দারুণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। ম্যাচ জিততে এখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৫৭ রান।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর প্রথম আঘাতটা হানেন তাসকিন আহমেদ। তার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মিচেল স্টার্ক। ১৮ রান করেন তিনি। তার বিদায়ে ভাঙে অস্ট্রেলিয়ার ৪৩ রানের জুটি।
এরপর সেঞ্চুরি তুলে নেন ক্যামেরন গ্রিন। ক্যারিয়ারের তৃতীয় আর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি এটি। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পরই আউট হন তিনি। হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হয়ে ১০৪ রানে ফেরেন তিনি।
এরপর অস্ট্রেলিয়ার অলআউট হওয়া নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল আনুষ্ঠানিকতা। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন নাথান লায়ন। রিভিউ নিয়েছিলেন তিনি, তবে কাজ হয়নি; রিপ্লেতে দেখা যায় ইমপ্যাক্ট, পিচিং আর হিটিং, সবই হয়েছে নিয়ম মেনে, ফলে আউট হন তিনি। মিরাজ তুলে নেন ৫ উইকেট। অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্যটা দাঁড়ায় ৫৭ রানের। নিজেদের ইতিহাসে কখনো ২ অঙ্কের রান তাড়া করতে নেমে অসফল হয়নি দলটি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে ৪২ আর পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে ৩০ রানের লক্ষ্য সফলভাবে তাড়া করেছিল দলটি।