কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড.মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন,পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ একটি সুস্থ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত। মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়লে মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উপকারী অণুজীবের বংশবৃদ্ধি ঘটে।সুস্থ মাটি উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে দীর্ঘমেয়াদে ফসলের ফলন স্থিতিশীল রাখে। প্রাকৃতিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং উপকারী পোকামাকড় ও পাখির আবাসস্থল সুরক্ষিত হয়। টেকসই ভবিষ্যৎ, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় পরিবেশবান্ধব কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। তাই কৃষকদের নিরাপদ ও আধুনিক উপায়ে ফসল উৎপাদন, সঠিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়।
তিনি সোমবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর দক্ষিণ সুরমা কতৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড করাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েল ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’র আওতায় দিনব্যাপী কৃষক জিএপি সার্টিফিকেশন’ বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কৃষি অফিসার গৌতম পালের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত কৃষি অফিসার দীপঙ্কর সূত্র ধরের পরিচালনায় কৃষক প্রশিক্ষণে নিরাপদ ফসল ও ফলমূল উৎপাদনের আধুনিক পদ্ধতি, জৈব সার উৎপাদন এবং সঠিক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের কৌশল, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে চাষাবাদ এবং কৃষি আবহাওয়া তথ্য ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে উপজেলার শতাধিক কৃষক অংশ গ্রহণ করেন।
