পরমেশ্বর ভগবান শ্রীশ্রী মহাপ্রভুর ৫৪০তম শুভ আবির্ভাব তিথি (গৌর পূর্ণিমা) মহা-মহোৎসব আগামী ১৮ ফা্গুন ১৪৩২ বাংলা ৩ মার্চ মঙ্গলবার ২০২৬ইং মহা-আনন্দঘন পরিবেশে যথাযথ মর্যাদায় ও বর্ণিল উৎসবমুখরতায় উদযাপন করবেন গৌরভক্তবৃন্দ ও অনুরাগীরা।
এই শুভ মহা-মহোৎসবে সম্মানিত সনাতনী হিন্দু ধর্মের সর্বস্তরের গৌরভক্তবৃন্দ ও অনুরাগীদের জন্য পুণ্যভূমি সিলেটের সন্তান, সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রাণের সংগঠন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক উত্তরপূর্ব’র সিনিয়র সাংবাদিক, গীতিকার ও কবি সজল ঘোষ-এর গীতিকবিতায় -নবদ্বীপের নিমাই- শিরোনামের একটি ভজন সঙ্গীত প্রকাশিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
দেশ বরেণ্য সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক ও জননন্দিত জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুমন কল্যাণ-এর মাধুর্যমাখা মোহিত কারুকাজময় মায়াবী কণ্ঠে ভজন সঙ্গীতটি প্রকাশ করার জন্য যাবতীয় কাজ পুরোদমে চলছে। যথাযথ সময়ে এই ভজন সঙ্গীতটি সর্বস্তরের গৌরভক্তবৃন্দ ও অনুরাগীদের জন্য ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত করা হবে।
দেশ বরেণ্য সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক, জননন্দিত ও জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুমন কল্যাণ -নবদ্বীপের নিমাই- শিরোনামের গানটি প্রসঙ্গে বলেন- আমাদের বাংলা গানের পরম শ্রদ্ধাশীল শ্রোতারাই হচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পীদের আসল প্রাণ, মূল শক্তি এবং পথপ্রদর্শক। সম্মানিত শ্রোতাদের অনুপ্রেরণায় আমরা গান গাই ও গান সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকি। তিনি বলেন- -নবদ্বীপের নিমাই- শিরোনামের ভজন সঙ্গীতটি সৃষ্টির কাজ চলমান রয়েছে। সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতাদের প্রাণবন্ত চাহিদার কথা সম্মানের সঙ্গে ভেবেই এই -নবদ্বীপের নিমাই- ভজন সঙ্গীতটি সৃষ্টির কাজ চলছে অবিরত। সাংবাদিক ও গীতিকার সজল ঘোষ-এর অনন্য অসাধারণ চমৎকার লেখনীতে এই ভজন সঙ্গীতটির সুর, সঙ্গীত ও কণ্ঠে একটি নতুন বৈচিত্র্য, ও নান্দনিক সৃজনশীলতা সুপ্রতিষ্ঠার আপ্রাণ প্রচেষ্ঠা চালাচ্ছি।
আশা-প্রত্যাশা রাখি -নবদ্বীপের নিমাই- নামক ভজন সঙ্গীতটি সঙ্গীতপ্রেমী গৌরভক্তবৃন্দ ও অনুরাগীদের মন-প্রাণে মহাপ্রভুর প্রেম সুরের প্লাবন ছুঁয়ে দিবে।
সুমন কল্যাণ বলেন- আমাদের বাংলাদেশে গৌরব-অহংকার করার মতো সুর, কথা ও সঙ্গীতের অনাবিল ঐশর্য্য রয়েছে। বাংলা গান প্রাচীনকাল থেকেই সর্বত্র সমাদৃত এবং সমৃদ্ধ। বাংলা গানের এই মহা-আনন্দের ধারাবাহিকতা আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুরক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে। সমস্ত পৃথিবীতে জানিয়ে দিতে হবে সনাতনী মহাপ্রভুকে নিবেদিত ভজন সঙ্গীত প্রতি-প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে, সুন্দর শৃঙ্খলার আলোয় বেঁচে থাকার পবিত্র মূল সহায়ক সূত্র ও মহাশক্তি।
