শাল্লায় প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজ রোডে প্রকাশ্য দিবালোকে বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শাল্লা থানার পকেট গেটের সামনে দিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে থানা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে এমন ঘটনা ঘটে। তবে প্রশাসনের দাবী ৯৯৯ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে ইয়ারাবাদ গ্রামের ও শাহীদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি (ক্লার্ক) ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে তার দল বল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে কান্দিগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নান মিয়ার বসতবাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও শিশু সহ নারীদের উপর আক্রমন করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ডিসি খতিয়ানের জায়গা নিয়ে আব্দুল মন্নান মিয়া ও ইকবাল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এনিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের কাছে মীমাংসার জন্য বৈঠকও হয়েছিল। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় এই হামলা ঘটনা ঘটে। এও জানাযায় ইকবাল হোসেনের চাচা শশুর হচ্ছে আব্দুল মন্নান মিয়া।

তবে ভুক্তভোগী ​মন্নান মিয়ার স্ত্রী মঞ্জু চৌধুরী বলেন, আমার বাসায় কোন পুরুষ লোক ছিল না। সেই সুযোগে ইকবাল আর তার দলবল নিয়ে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের বাসা ভাংচুর করে এবং আমার ছেলে বউদের ৭-৮ ভরি স্বর্ণ লেটপাট করে এমনকি শিশু বাচ্চা সহ বাসায় থাকা আমাদের মহিলাদের উপর আক্রমণ চালায়।

এব্যাপারে মন্নান মিয়া মুঠোফোনে বলেন, আমি বাসায় ছিলাম না, তবে এই ঘটনা আমাকে ফোনে জানান। আমি বাসায় আসার পথে এখন দিরাই আছি।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনের নাম্বারে একাধিক ফোন দিলেও সাড়া না পাওয়ায় মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি৷

এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রোকিবুজ্জামান জানান, আমি ৯৯৯ ফোন পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, আমাকে একজন ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে আমি তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবগত করি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জায়গার বিষয়টি কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন