মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেসিডেন্সিয়াল গার্লস মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী অ্যাডমিট কার্ড-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রথমে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারেননি। ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়া এসব শিক্ষার্থীর জন্য সেই মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত উৎকণ্ঠার।
বিষয়টি জানতে পেরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে শেষ পর্যন্ত ৯ জন পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন শারমিন আক্তার, মাসুমা আক্তার, তানিয়া আক্তার, আয়েশা আক্তার নাজমিন, দীপা কাহার, পল্লবী ঠাকুরিয়া, শ্রাবন্তী শীলসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সুমাইয়া আক্তার নামে একজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীরও প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
একটি দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত যে কতগুলো শিক্ষার্থীর একটি মূল্যবান শিক্ষাবর্ষ এবং ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারে, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও মো. জিয়াউর রহমান।