- Dainiksylhet.com - https://dainiksylhet.com -

সজিবুর রহমান রুবেলের উদ্যোগে আলোর মুখ দেখলো এয়ারপোর্ট মংলিপারবাসী

সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট এলাকার মংলিপার বাবুল মিয়ার বাড়ি থেকে খ্রিস্টান বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে চলা অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশের অবসান ঘটেছে। সিলেট সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সজিবুর রহমান রুবেলের ব্যক্তিগত উদ্যোগে অবশেষে আলোর মুখ দেখলো এই অন্ধকার রাস্তা।

বুধবার রাত ১০টায় মংলিপারের অন্ধকার রাস্তায় তিনি নিজ উদ্যোগে একাধিক অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এলইডি লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মংলিপারের বিভিন্ন রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত লাইট না থাকায় রাতের আঁধারে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো পথচারী ও এলাকাবাসীকে। অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে সেখানে সামাজিক অপকর্ম বৃদ্ধি পাচ্ছিল এবং রাতে অন্ধকার রাস্তায় অসাবধানতাবশত মানুষ পড়ে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতো। এতে চলাচলে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা।

এ বিষয়ে সজিবুর রহমান রুবেল বলেন, এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আমি স্থানীয়দের খোঁজখবর নেই। তখন এলাকাবাসীর এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। সমাজের কল্যাণমূলক কাজ করাকে আমি ইবাদত বলে মনে করি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মংলিপার এলাকায় বিশিষ্ট মুরব্বি বাবুল মিয়া, মংলিপার ক্রিয়া সংস্থার সহ-সভাপতি সাহিন আহমেদ, শামিম আহমেদ, আয়নুল আহমেদ, লোকমান আহমেদ, জাফর গাজী, সুজু মিয়া, কমল দ্যা, রিপন আহমেদ, রকি আহমেদ, খাদিমনগর ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিবরিয়া প্রমূখ।

লাইট সংযোগ প্রদান ও মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার সাধারণ যুবসমাজ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের অন্ধকার দূর হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে মংলিপারবাসী জানান, “এখানে আলো না থাকায় রাতে নিরাপদে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সজিবুর রহমান রুবেলের এই চমৎকার উদ্যোগে এখন থেকে সাধারণ মানুষ নির্দ্বিধায় চলাফেরা করতে পারবে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে কমে আসবে। এই জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য এয়ারপোর্ট মংলিপারের সর্বস্তরের জনগণ সজিবুর রহমান রুবেলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন